লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোঃ হাবীব উল্লাহ ০৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিচালক মেজর জেনারেল খালেদ সরির সঙ্গে বৈঠক করেন। এসময় অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, লিবিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) ও অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে বাংলাদেশিদের অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, বৈধভাবে কর্মরত অভিবাসীদের সুরক্ষা এবং আটক বাংলাদেশিদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
মান্যবর রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ সরকার নিয়মিত ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবপাচারের শিকার অভিবাসীদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল থেকে সাম্প্রতিক সময়ে দুই হাজারের অধিক বাংলাদেশিকে প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে তিনি অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এসময় তিনি বৈধ কাগজপত্র ও বিতাকা হাসর বহনকারী বাংলাদেশি অভিবাসীদের অযথা আটক না করার জন্য অনুরোধ জানান। এছাড়া গানফুদাসহ পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।
উপ-মহাপরিচালক বাংলাদেশ দূতাবাস ও অধিদপ্তরের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা ও সমন্বয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসময় আটক বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, ট্রাভেল পারমিট ইস্যুতে দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় এবং প্রত্যাবাসনের আগপর্যন্ত আটক অভিবাসীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা হবে জানান। এছাড়াও বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও নিয়মিত যোগাযোগ আরও জোরদার করার বিষয়ে একমত হন।