দৈনিক যুগ-যুগান্তর পএিকা আজ প্রকাশিত “কিশোরগঞ্জে বকেয়া না দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ: প্রকৌশলী ও আদালতের কর্মচারীদের যোগসাজশের অভিযোগ” শিরোনামে প্রকাশ সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ শহরের খরমপটি এলাকায় মেডিকেল হাসপাতাল সংলগ্ন একটি বিদ্যুৎ সংযোগে পৌনে ৩ লাখ টাকার বকেয়া বিল শোধ না করায়। এ ঘটনায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) কিশোরগঞ্জ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমতিয়াজ মামুন বাদী হয়ে ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলাটি চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে সত্যতা যাচাইয়ে ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ আদালতের সহকারী পেশকার হিসেবে আমাকে জড়ানোর তথ্যটি ভুল ও মিথ্যা। সরকারী নিয়মে এবং বাস্তবতার আলোকে আদালতের রায় হয়েছে।
আদালত রায় উপেক্ষা করে কে বা কারা বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে তা স্থানীয় অফিসের তদারকির দায়িত্ব। আমি এসবের সাথে জড়িত থাকার কোন সুযোগ নাই।
কে বা কারা আমার নাম ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাকে ফাঁসাতে এমন জগন্য কাজ করিয়াছে।
বিষয়টি জানতে ‘কালের নতুন সংবাদ’-এর সম্পাদক আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমি যে তথ্য দিয়েছি তার সঠিক তথ্য উপস্থাপন না করে এমন সংবাদ প্রকাশ করায় আমি তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য খরমপটির উক্ত সংযোগে (হিসাব নং এ/৭১৯৬, মিটার নং ৬০৯৬৪৯) মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত মোট ২,৯৯,৫৪৮ টাকা বকেয়া থাকায় কর্তৃপক্ষ আগে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। কিন্তু অসাধু চক্রের সহায়তায় ৬/০৪/২০২৬ তারিখের বাইপাস সংযোগের মাধ্যমে সেখানে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার চালানো হয় বলে আমি সাংবাদিকের মাধ্যমে জানতে পারি কিন্তু আমি আদালততের বিদ্যুৎ শাখার কর্মচারী।
কে বা কারা সংযোগ দিল তা জানার দায়িত্ব বিদ্যুৎ অফিসের।
আতিক