জয়দেব আচার্য্য নিকলী কিশোরগঞ্জ।।।
কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ১২ আগষ্ট ২০২৬ রোজ বুধবার সকাল এগারো ঘটিকায় নিকলী উপজেলার গার্লস স্কুলের মোড়ে নিকলী উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নিকলী উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি, অবৈধ নিয়োগসহ সকল অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে,উপস্থিত নেতাকর্মী গণ নিকলী উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি বালু উত্তোলন সরকার ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ দেওয়া নিয়ে কথা বলেন,এই সময় উপস্থিত ছিলেন নিকলী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মানিক মিয়া, নিকলী উপজেলার সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ হারুন অল কাইয়ুম,বিএনপি নেতা মহি উদ্দিন,শাহর উদ্দিন মেম্বার, নিকলী সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, নিকলী উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক আবদুল মান্নান,নিকলী উপজেলার কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান স্বাধীন, যুবদল নেতা ফরিদ উদ্দিন,মানববন্ধনের ব্যাপারে নিকলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড শুমারীর তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদের ফলাফল ঘোষণার পর নিকলী উপজেলার বিভিন্ন নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। নিকলী বাজিতপুরে স্বতন্ত্র এমপি নির্বাচিত হওয়ায় এখানে দুটো পক্ষের মধ্যে সকল বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। এখানকার রাজনৈতিক পরিবেশ বেশ উত্তপ্ত। ফ্যামিলি কার্ড শুমারীর ফলাফল প্রার্থীদের যোগ্যতা দেখে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাস্তবতা বিবেচনায় যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে উভয় দলের সুপারিশে কিছু প্রার্থীকেও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রার্থীদের চূড়ান্ত করার পর তাদের সম্পর্কে যথাসম্ভব খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে অনেকে অনুমান নির্ভর তথ্য প্রদান করায় আমাদের অনিচ্ছাসত্ত্বেও দুই একজন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এর প্রার্থী চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পায়। এতে করে স্থানীয় নেতাকর্মীরা যাদের সুপারিশ রাখা হয়নি তাঁরা সবাই ঢালাওভাবে অভিযোগ করছে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত সবাই আওয়ামীলীগ পন্থী। আসলে বিষয়টি তা না। নিকলী ছোট উপজেলা হওয়ায় এখানে দুটি পদে মোট ৫৫ জনকে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু নেতাকর্মীদের সুপারিশ ছিল প্রচুর পরিমাণ। তাই যাদের ক্যান্ডিডেট বাদ পড়েছে তারাই প্রতিবাদী হয়ে পুরো নিয়োগকে অস্বচ্ছ দাবি করছে। এই চিত্র এখন বাংলাদেশের অনেক উপজেলায় দেখা যাচ্ছে। তারপরও আমি নিকলীবাসীকে বলবো আপনারা যদি প্রমানসহ ফ্যাসিস্ট এর তালিকা দিতে পারেন তাহলে আমরা ফলাফল পুনরায় দিবো ফ্যাসিস্টদের বাদ দিয়ে দিবো চূড়ান্ত তালিকা থেকে। তবে এবার গোয়েন্দা সংস্থা থেকে ভেরিফাই করে নিবো।।।