সরকার অরুণ যদুঃ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম জেলা সদরের ত্রিমোহনী বাজার এলাকার হাড়িপাড়ার দরিদ্র ঢোলবাদক দুলাল(২৬) তার শ্বশুর বাড়ীতে, সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আদুরী(২৩) তার বাবার বাড়ীতে আর কলিজার টুকরা মেয়ে মনি(০৬) তার নানার বাড়ী লালমনিরহাটের কুলাঘাট এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন।
সেখানে তিনদিন থাকার পর গতরাতে অটোযোগে একসঙ্গে নিজ বাড়ীতে ফেরার পথে কাঁঠালবাড়ী এলাকায় বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান মনি।
মা আদুরী ও তার পেটে থাকা সাত মাসের পুত্র সন্তানও নিহত হন চিকিৎসাধীন অবস্থায়। বাবা দুলাল এখনো বেঁচে আছেন। তার এই বেঁচে থাকাকে কি সত্যিই বেঁচে থাকা বলে?
এর দায় কি রাষ্ট্র এড়াতে পারে?
প্রায় প্রতিদিন সড়কে মৃত্যুর মিছিল থেকে বাঁচার কি কোন উপায় নাই?
উল্লেখ্য যে, দুনিয়ার আলো দেখার আগেই সাত মাস মায়ের পেটে থাকাবস্থায় নিহত পুত্র, ০৬ বছরের আদরের কন্যা ও জীবনের অর্ধাঙ্গীনী স্ত্রী হারানো দুলাল ওরফে অনন্ত মালির বড় ভাই নগেন মালি খলিলগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের দপ্তরী ছিলেন। অবসর গ্রহণের পর তিনি মারা যান।