ফারজানা আক্তার, কুলিয়ারচর(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বহুল আলোচিত কুখ্যাত ছিনতাইকারী ইমন অবশেষে ধরা পরলো। ইমন উপজেলার পৌর এলাকার পূর্ব গাইলকাটার মৃত জামাল মিয়ার ছেলে।তার বিরুদ্ধে ২০১১ সাল থেকে ডাকাতী,চুরি,ছিনতাই,সন্ত্রাসী সহ নানা অপরাধের বিভিন্ন ধারায় ২১ টি মামলা আছে বলে পুলিশ সূত্র জানায়। সে এমন এক ধূর্ত প্রকৃতির লোক যাকে পুলিশ চেষ্টা করেও ধরতে পারেনি এতদিন । অবশেষে ১০ জুলাই (শুক্রবার) বিকালে কুখ্যাত ছিনতাই কারী ইমন সহ, শাহাদাত হোসেন শান্ত( ২৮), ও হৃদয় মিয়া(৩২)নামে তিন জনকে গ্রেফতার এবং আত্মগোপনে থাকা মোস্তফা কামাল(২৮) নামে এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন কুলিয়ারচর থানা পুলিশ। মোস্তফা কামাল ময়মনসিংহের শেরপুর জেলার বাসিন্দা। তার বর্তমান ঠিকানা কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষিপুরে।জানা গেছে, অর্থ লেনদেনের বিষয়কে কেন্দ্র করে মোস্তফা কামাল আত্মগোপনে থেকে জামান মিয়া নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা ও গুমের মামলা দায়ের করেন মোস্তফার মা। ভুক্তভোগী জামান মিয়া মিথ্যা মামলায় চার মাস কারা ভোগ করে জামিনে মুক্তি পান ।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মঞ্জুরুল হক সন্দেহ জনক ঘটনায় তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ৯ জুলাই রাত ২ টার দিকে গাজীপুরের গাচা থানা এলাকা থেকে ২ বছর আত্মগোপনে থাকা মোস্তফা কামালকে উদ্ধার করেন।অপরদিকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপরাধী জুয়েল মিয়া(২০) নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে।নিহত জুয়েল উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের মো:কুদ্দুস মিয়ার ছেলে।জানা গেছে, লক্ষীপুর ও বরচড়া এলাকার কয়েকজন যুবকের মধ্যে পূর্ব বিরোধের জেরে ১০ জুলাই বিকালে ডিমের গাড়িতে বয়ে যাওয়া জুয়েলকে আটক করে কয়েকজন বখাটে যুবক।এ সময় নিরাপরাধী জুয়েলকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে বখাটেরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে জহিরুল ইসলাম মেডিক্যাল নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
এ সকল বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ কাজ্বী আরিফ উদ্দিন জানান, ইমনের নামে নিয়মিত মামলা সহ ২১ টা মামলা আছে এবং সে ওয়ারেন্টের আসামী।মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুয়েল হত্যার বিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ পাই নি