1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কেন্দুয়ায় ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন তাড়াইলে চার লাখ টাকার অবৈধ রিং, কারেন্ট ও কোনা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস পাকুন্দিয়ায় বিদ্যালয়ের সব কক্ষের ছাদ ধস, খোলা মাঠে চলছে পাঠদান লিবিয়ার ভুমধ্যসাগরে ফের নৌকাডুবি: মৃত্যু ২০,জীবিত উদ্ধার ৪৮ জন হাওরাঞ্চলের লাখো যাত্রীর স্বস্তি: বালিখলা হচ্ছে আধুনিক যাত্রী ছাউনি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে গভীর রাতে প্রেমিক আটক জায়গা ৭ শতাংশ মামলা ১০, কেন্দুয়ার নওপাড়ায় জরাজীর্ণতায় ধুঁকছে তালজাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন জঙ্গল সলিমপুরে শিক্ষার্থী শিক্ষক অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে পুলিশ সুপার হিন্দু পরিবারের বসতভিটা দখলচেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে কিশোরগঞ্জে মানববন্ধন
শিরোনাম
কেন্দুয়ায় ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন তাড়াইলে চার লাখ টাকার অবৈধ রিং, কারেন্ট ও কোনা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস পাকুন্দিয়ায় বিদ্যালয়ের সব কক্ষের ছাদ ধস, খোলা মাঠে চলছে পাঠদান লিবিয়ার ভুমধ্যসাগরে ফের নৌকাডুবি: মৃত্যু ২০,জীবিত উদ্ধার ৪৮ জন হাওরাঞ্চলের লাখো যাত্রীর স্বস্তি: বালিখলা হচ্ছে আধুনিক যাত্রী ছাউনি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে গভীর রাতে প্রেমিক আটক জায়গা ৭ শতাংশ মামলা ১০, কেন্দুয়ার নওপাড়ায় জরাজীর্ণতায় ধুঁকছে তালজাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন জঙ্গল সলিমপুরে শিক্ষার্থী শিক্ষক অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে পুলিশ সুপার হিন্দু পরিবারের বসতভিটা দখলচেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে কিশোরগঞ্জে মানববন্ধন

পাকুন্দিয়ায় বিদ্যালয়ের সব কক্ষের ছাদ ধস, খোলা মাঠে চলছে পাঠদান

  • প্রকাশ কাল সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়েছে


আবু হানিফ, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাটুয়াভাঙা ইউনিয়নের ১২৭ নম্বর দক্ষিণ মাইজহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একমাত্র ভবনের সব কক্ষের ছাদ ধসে পড়ায় চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় বর্তমানে খোলা মাঠে পাঠদান চলছে। বিদ্যালয় ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণ এবং বিকল্প পাঠদান ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে একটি মাত্র ভবন রয়েছে। ভবনটিতে তিনটি শ্রেণিকক্ষ ও একটি শিক্ষকদের কক্ষ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভবনটির বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও সম্প্রতি সব কক্ষের ছাদ ব্যাপকভাবে ধসে পড়ে। ঈদুল আজহার ছুটি শেষে রোববার বিদ্যালয় খোলার পর শিক্ষকদের কক্ষের ছাদের বড় একটি অংশ ধসে পড়তে দেখা যায়। ছাদের ইট, বালু ও সুড়কি পড়ে কক্ষটির টেবিল-চেয়ার ও মেঝে ঢেকে যায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এর আগেও পাঠদান চলাকালে ছাদের অংশ ভেঙে পড়ে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছিল। এরপরও ঝুঁকি নিয়েই শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। বর্তমানে ভবনটির অবস্থা এতটাই নাজুক যে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ১০৯ জন শিক্ষার্থী এ বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছে। শিক্ষক রয়েছেন পাঁচজন, সবাই নারী। একমাত্র ভবনের তিনটি শ্রেণিকক্ষে দুই শিফটে পাঠদান চলত। কিন্তু ভবনের ছাদ ধসে পড়ার পর বাধ্য হয়ে বিদ্যালয় মাঠেই শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অবিলম্বে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা এবং নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় যেকোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া বিলকিস বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যালয় ভবনটির অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। রোববার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে গেছেন। তারা মৌখিকভাবে ভবনটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছেন। বর্তমানে বিদ্যালয় মাঠে পাঠদান চলছে। খুব শিগগিরই বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তাসলিমা আক্তার লিপি বলেন, “ভবন ধসের খবর পাওয়ার পর আমরা প্রকৌশলী দিয়ে ভবনটি পরীক্ষা করিয়েছি। ভবনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণার প্রক্রিয়া চলছে। আপাতত ভবনের ভেতরে সব ধরনের পাঠদান বন্ধ থাকবে। শিক্ষার্থীদের পাঠদান অব্যাহত রাখতে খোলা আকাশের নিচে কিংবা অস্থায়ী টিনশেড নির্মাণের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।”
পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম দাস বলেন, “বিদ্যালয়ের ছাদ ধসের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলীকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বিদ্যালয়টির জন্য নতুন ভবন বরাদ্দের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।”
এদিকে মঙ্গলবার (৮ জুন) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম দাস সরেজমিনে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর দাবি, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশে পাঠদানের স্বার্থে দ্রুত নতুন বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ এবং অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা করা হোক। এতে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে এবং শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিও কমবে।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST