এমদাদুল হক-
গাজীপুরে নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের হত্যার বিচার, তার অবুঝ সন্তানের ন্যায়বিচার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সাংবাদিকদের উদ্যোগে আন্দোলনের সূচনা হয়েছে। আন্দোলনে অংশ নিয়ে সাংবাদিক নেতারা দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে সারাদেশে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন।
দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর গাজীপুর স্টাফ রিপোর্টার শহীদ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের হত্যার বিচার, তার অবুঝ সন্তানের ন্যায়বিচার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে আজ কঠোর আন্দোলনের সূচনা হয়েছে।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া সাংবাদিকরা বলেন, একজন সাংবাদিককে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য গভীর শোক ও উদ্বেগের বিষয়। তুহিনের অবুঝ সন্তানের অশ্রু এবং পরিবারের আহাজারির ন্যায়সঙ্গত জবাব রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে। তারা অবিলম্বে এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার দাবি করেন।
সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা বলেন, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যা মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে সারাদেশের সাংবাদিকদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন এবং ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এ সময় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আহমদ আবু জাফর উপস্থিত ছিলেন। আন্দোলনে তুহিনের অবুঝ সন্তানও অংশগ্রহণ করে, যা উপস্থিত সবার মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে।
সমাবেশ থেকে সাংবাদিক নেতারা বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে তাদের সুরক্ষা প্রদান রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। তারা সাংবাদিক হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. তাওহীদ হাসান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মোস্তাক আহমেদ খান, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি আখতারুজ্জামান, ভাওয়াল প্রেসক্লাবের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক খাইরুল আলম রফিকসহ গাজীপুরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।”