1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
লিবিয়া থেকে আরও ১৭০ জন বাংলাদেশিকে প্রেরন আরাফার মিম্বরে যে কণ্ঠ প্রতিধ্বনিত হবে বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় আত্মনির্ভরশীলতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ কুলিয়ারচরে হুজুরের বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগ মধুপুরে ইউএনও জুবায়ের হোসেনকে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সম্মাননা প্রদান কিশোরগঞ্জে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন পালিত ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দাবি নিকলীতে মানববন্ধন রাজারহাটে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহে কৃষক বাছাই গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি কুড়িগ্রামে ফেসবুকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে গ্রেফতার-১
শিরোনাম
লিবিয়া থেকে আরও ১৭০ জন বাংলাদেশিকে প্রেরন আরাফার মিম্বরে যে কণ্ঠ প্রতিধ্বনিত হবে বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় আত্মনির্ভরশীলতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ কুলিয়ারচরে হুজুরের বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগ মধুপুরে ইউএনও জুবায়ের হোসেনকে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সম্মাননা প্রদান কিশোরগঞ্জে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন পালিত ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দাবি নিকলীতে মানববন্ধন রাজারহাটে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহে কৃষক বাছাই গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি কুড়িগ্রামে ফেসবুকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে গ্রেফতার-১

ফের লিবিয়া থেকে ১৭৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে প্রেরন

  • প্রকাশ কাল মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ১২৭ বার পড়েছে

ওয়াসিম কামাল লিবিয়া।।

লিবিয়ায় নিযোক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস’র সর্বাত্মক প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সহযোগিতায় লিবিয়া থেকে ১৭৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা লিবিয়ার বুরাক এয়ারের UZ222 ফ্লাইটযোগে আগামীকাল ০১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সকাল ০৫:০০ ঘটিকায় ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১১৩ জন ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার এবং ৬২ জন বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। এছাড়া, তাদের মধ্যে ১৪ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।
মান্যবর রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোঃ হাবীব উল্লাহ, এসজিপি, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল, ত্রিপলীর মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকি করেন এবং তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে প্রত্যাবাসিতদের বিদায় জানান। এসময় দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) জনাব মোঃ রাসেল মিয়া উপস্থিত ছিলেন। মান্যবর রাষ্ট্রদূত প্রত্যাবাসন কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
প্রত্যাবাসনকালে মান্যবর রাষ্ট্রদূত অভিবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় অভিবাসীরা লিবিয়ায় তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেন। অনেক অভিবাসী অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় আসার পর বিভিন্ন চক্রের নিকট জিম্মি হওয়া, মুক্তিপণের জন্য শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়া, খাদ্য ও পানির অভাব, চিকিৎসাহীনতা এবং দেশে তাদের জমি-জমা বিক্রির কথাও উল্লেখ করেন। অনেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ের কথাও জানান। এসময় এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাদের কথা মনোযোগসহকারে শোনেন এবং সান্ত্বনা প্রদান করেন।
মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাদের দেশে ফিরে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করার আহ্বান জানান। তিনি সাম্প্রতিক নৌ-দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, অন্তত জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরতে পারা তাদের জন্য সৌভাগ্য। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যেন এভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পথে না আসে, সে জন্য প্রত্যাবাসিতদের নিজ নিজ এলাকায় তাদের দুঃখ-কষ্ট, দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা ও মানবেতর জীবনযাপনের করুণ অভিজ্ঞতা তুলে ধরার অনুরোধ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, অনিয়মিত অভিবাসন ব্যক্তি ও পরিবারের ক্ষতির পাশাপাশি সামাজিক ও জাতীয় পর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
এ প্রেক্ষিতে মান্যবর রাষ্ট্রদূত সকলকে বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনের পথ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিদেশে যাওয়ার পূর্বে সরকারি অনুমোদিত প্রক্রিয়া অনুসরণ, সঠিক তথ্য যাচাই এবং দালালচক্র থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে তিনি প্রত্যাবাসিতদের সরকারি ও বেসরকারি পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন, যাতে তারা পুনরায় স্বনির্ভর জীবন গড়ে তুলতে পারেন। এছাড়াও মান্যবর রাষ্ট্রদূত দালালচক্রের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়া অভিবাসীদের দেশে ফিরে প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে তারা আর কাউকে এ ধরনের প্রতারণার শিকার করতে না পারে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়া স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবর্তনে আগ্রহী এবং বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে দূতাবাস লিবিয়া সরকার, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখছে।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST