1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ছয় মাস পর খোলা হলো পাগলা মসজিদের দানবাক্স, মিলল ৪৩ বস্তা টাকা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের আমের নতুন অর্থনৈতিক বিপ্লব
 সংবাদপত্র আর সাংবাদিকতা শেকলে বন্দি: ইঞ্জিনিয়ার মু. মহিউদ্দিন বেলাবো উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বারৈচা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বর্জ্য পরিচ্ছন্ন অপসারণ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় বৈশ্বিক সহায়তা রাজারহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ মাদক সেবির ৬ মাসের জেল-জরিমানা মাদকের আগ্রাসনে বিপন্ন পরিবার ও সমাজ: রুখে দাঁড়ানোর এখনই সময় কিশোরগঞ্জে মাদক বিক্রেতাদের আত্মসমর্পণ তাড়াইল উপজেলা পরিদর্শনে- জেলা প্রশাসক হাজারো শিশুর চোখে এক স্বপ্ন, বাস্তবায়নের অপেক্ষায় হোসেনপুরের শিশু পার্ক
শিরোনাম
ছয় মাস পর খোলা হলো পাগলা মসজিদের দানবাক্স, মিলল ৪৩ বস্তা টাকা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের আমের নতুন অর্থনৈতিক বিপ্লব
 সংবাদপত্র আর সাংবাদিকতা শেকলে বন্দি: ইঞ্জিনিয়ার মু. মহিউদ্দিন বেলাবো উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বারৈচা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বর্জ্য পরিচ্ছন্ন অপসারণ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় বৈশ্বিক সহায়তা রাজারহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ মাদক সেবির ৬ মাসের জেল-জরিমানা মাদকের আগ্রাসনে বিপন্ন পরিবার ও সমাজ: রুখে দাঁড়ানোর এখনই সময় কিশোরগঞ্জে মাদক বিক্রেতাদের আত্মসমর্পণ তাড়াইল উপজেলা পরিদর্শনে- জেলা প্রশাসক হাজারো শিশুর চোখে এক স্বপ্ন, বাস্তবায়নের অপেক্ষায় হোসেনপুরের শিশু পার্ক

লিবিয়া থেকে ফের ১৭৪ জন বাংলাদেশিকে দেশে প্রেরন

  • প্রকাশ কাল সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ১০৫ বার পড়েছে

ওয়াসিম কামাল

লিবিায়া অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাস,
লিবিয়ার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সহযোগিতায় লিবিয়ার ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা লিবিয়ার বুরাক এয়ারের UZ222 ফ্লাইটযোগে আজ ০১ জুন ২০২৬ তারিখে ভোর ০৪:০০ ঘটিকায় ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১৪ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। প্রত্যাবাসিত অভিবাসীদের তালিকা সংযুক্ত।
মান্যবর রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোঃ হাবীব উল্লাহ, এসজিপি, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল, ত্রিপলীর মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকি করেন এবং তাদেরকে বিদায় জানান। এসময় দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) এবং প্রথম সচিব (শ্রম) জনাব মোঃ রাসেল মিয়া উপস্থিত ছিলেন। মান্যবর রাষ্ট্রদূত প্রত্যাবাসন কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
প্রত্যাবাসনকালে মান্যবর রাষ্ট্রদূত অভিবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় অভিবাসীরা লিবিয়ায় মানবপাচারের শিকার হওয়ার করুণ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা জানান, দালালচক্রের প্রলোভনে পড়ে সাগরপথে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় এসে বিভিন্ন মানবপাচারকারী ও অপরাধী চক্রের হাতে জিম্মি হন। অনেকেই মুক্তিপণ আদায়ের জন্য শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। কেউ কেউ পরিবারের জমি-জমা বিক্রি করে সর্বস্বান্ত হওয়ার কথাও জানান। এছাড়া দীর্ঘদিন ডিটেনশন সেন্টারে আটক অবস্থায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবার সীমাবদ্ধতার কারণে মানবেতর জীবনযাপনের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তারা ভবিষ্যতে আর কখনো এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পথে না আসার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাদের কথা মনোযোগসহকারে শোনেন এবং সান্ত্বনা প্রদান করেন।
এসময় মান্যবর রাষ্ট্রদূত প্রত্যাবাসিদের দেশে ফিরে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি তাদের নিজ নিজ এলাকায় লিবিয়ায় তাদের দুঃখ-কষ্ট, নির্যাতন, মানবপাচারের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা এবং অনিয়মিত অভিবাসনের ভয়াবহ পরিণতির কথা সকলের কাছে তুলে ধরার অনুরোধ জানান, যাতে অন্য কেউ এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পথে বিদেশ গমনে উৎসাহিত না হয়। মান্যবর রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, অনিয়মিত অভিবাসন ব্যক্তি ও পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়েও দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ প্রেক্ষিতে তিনি সকলকে বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনের পথ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিদেশে যাওয়ার পূর্বে সরকারি অনুমোদিত প্রক্রিয়া অনুসরণ, সঠিক তথ্য যাচাই এবং দালালচক্র থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন।
একই সঙ্গে তিনি প্রত্যাবাসিতদের সরকারি ও বেসরকারি পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে পুনরায় স্বনির্ভর জীবন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি মানবপাচার ও প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের দেশে ফিরে সংশ্লিষ্ট দালাল ও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান, যাতে ভবিষ্যতে তারা আর কাউকে এ ধরনের প্রতারণার শিকার করতে না পারে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়া স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবর্তনে আগ্রহী এবং বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে দূতাবাস লিবিয়া সরকার, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখেছে

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST