1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
হাজারো শিশুর চোখে এক স্বপ্ন, বাস্তবায়নের অপেক্ষায় হোসেনপুরের শিশু পার্ক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ কিশোরগঞ্জে থেরাপি নিতে গিয়ে পঙ্গুত্বের মুখে স্ট্রোকের রোগী জাতীয়ভিত্তিক গ্রন্থপাঠ কার্যক্রমের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান মধুপুর পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা লিবিয়া থেকে ১৭০ জন বাংলাদেশিকে দেশে প্রেরন মদনে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত বাজিতপুরে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত বাজিতপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জালিয়াতি ঢাকতে সাংবাদিককে মধ্যরাতে বিএনপি নেতার হুমকি তাড়াইলের নরসুন্দা নদীর স্রোতের পানিতে ভেসে উঠল শিশুর মরদেহ
শিরোনাম
হাজারো শিশুর চোখে এক স্বপ্ন, বাস্তবায়নের অপেক্ষায় হোসেনপুরের শিশু পার্ক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ কিশোরগঞ্জে থেরাপি নিতে গিয়ে পঙ্গুত্বের মুখে স্ট্রোকের রোগী জাতীয়ভিত্তিক গ্রন্থপাঠ কার্যক্রমের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান মধুপুর পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা লিবিয়া থেকে ১৭০ জন বাংলাদেশিকে দেশে প্রেরন মদনে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত বাজিতপুরে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত বাজিতপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জালিয়াতি ঢাকতে সাংবাদিককে মধ্যরাতে বিএনপি নেতার হুমকি তাড়াইলের নরসুন্দা নদীর স্রোতের পানিতে ভেসে উঠল শিশুর মরদেহ

হাজারো শিশুর চোখে এক স্বপ্ন, বাস্তবায়নের অপেক্ষায় হোসেনপুরের শিশু পার্ক

  • প্রকাশ কাল বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ২০ বার পড়েছে

আতাহার আলী মৃধা মাসুদ, হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে শিশুদের শৈশব যেন ধীরে ধীরে চার দেয়ালের মাঝে বন্দি হয়ে পড়ছে। খোলা আকাশের নিচে দৌড়ঝাঁপ, খেলাধুলা কিংবা নির্মল বিনোদনের সুযোগ দিন দিন সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। অথচ একটি শিশুর সুস্থ শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের জন্য প্রয়োজন নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশ।
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় বসবাসকারী হাজারো শিশু-কিশোরের জন্য এমন কোনো আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র বা শিশু পার্ক নেই। এই দীর্ঘদিনের অভাব দূর করতে উপজেলা মডেল মসজিদ সংলগ্ন পুরাতন কোর্ট বিল্ডিং এলাকার প্রায় ৪৫ শতাংশ পরিত্যক্ত জমিতে একটি আধুনিক শিশু পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে উদ্যোগ গ্রহণের প্রায় ছয় মাস অতিবাহিত হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোসেনপুরের শিশু-কিশোরদের সুস্থ বিনোদন, মানসিক বিকাশ ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জের তৎকালীন জেলা প্রশাসক আসলাম মোল্লা এবং হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা এ মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। উপজেলা প্রশাসন ও হোসেনপুর পৌরসভার যৌথ বাস্তবায়নে পার্কটি নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল।
তবে প্রশাসনিক রদবদল এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত জটিলতার কারণে বর্তমানে প্রকল্পটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে রয়েছে।
ফলে নির্ধারিত স্থানটি এখনো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। অথচ সেখানে একটি শিশু পার্ক গড়ে উঠলে হোসেনপুরের হাজারো শিশু-কিশোরের জন্য এটি হতে পারত আনন্দ, শিক্ষা ও মানসিক বিকাশের এক নিরাপদ আশ্রয়স্থল।
স্থানীয় এক অভিভাবক বলেন, “আমাদের সন্তানদের নিয়ে যাওয়ার মতো কোনো শিশু পার্ক বা বিনোদন কেন্দ্র হোসেনপুরে নেই। শিশুরা সারাদিন মোবাইল ফোন কিংবা ঘরের ভেতর সময় কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। মডেল মসজিদের পাশে পরিকল্পিত শিশু পার্কটি বাস্তবায়িত হলে তারা নিরাপদ পরিবেশে খেলাধুলা ও বিনোদনের সুযোগ পাবে। আমরা দ্রুত এর কাজ শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করি।”
এলাকার সচেতন নাগরিকদের মতে, একটি শিশু পার্ক শুধু বিনোদনের স্থান নয়; এটি শিশুদের সামাজিকতা, সৃজনশীলতা, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই প্রকল্পটির দ্রুত বাস্তবায়ন সময়ের দাবি।
হোসেনপুরবাসীর পক্ষ থেকে কিশোরগঞ্জ-১ (হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম মাজহার এবং বর্তমান জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে, যেন দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পটি পুনরায় সক্রিয় করে দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য,উপজেলা মডেল মসজিদ সংলগ্ন ঢেকিয়া-হোসেনপুর প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত প্রায় ৪৫ শতাংশ পরিত্যক্ত পুরাতন কোর্ট বিল্ডিং এলাকার জমিতে শিশু পার্কটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে হোসেনপুর উপজেলা প্রশাসন ও হোসেনপুর পৌরসভা কাজ করার কথা ছিল।
হোসেনপুরের সর্বস্তরের মানুষের বিশ্বাস, বর্তমান প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আন্তরিক উদ্যোগে সব জটিলতা কাটিয়ে খুব শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে স্বপ্নের শিশু পার্ক। আর তখনই উপজেলার শিশু-কিশোররা ফিরে পাবে তাদের হারিয়ে যেতে বসা শৈশবের আনন্দ, উন্মুক্ত আকাশের নিচে বেড়ে ওঠার সুযোগ।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST