স্টাফ রিপোর্টার ঃ-
রাজধানী ঢাকা বারিধারায় ব্লক- জি, রোড নং- ২, বাড়ি নং- ৬,প্রগতি স্মরনী ভাটারা থানা এলাকায় অবস্থিত আইকন ও ইকরা নামক ট্রাভেল এন্ড ভিসা কনসালটেন্সি অফিসের নামে প্রতারনা করে যাচ্ছে
দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানের মালিক রুবেল ও তার আপন খালাতো ভাই মোঃ হাসান রাজা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে প্রতারনা করে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়।
হাসন রাজা নিজ নামে ও ঢাকার প্রগতি স্মরনী, মিরপুর -১১, মহাখালী ডি ও এইচ এস, উত্তরায় অফিস রয়েছে। একই সিন্ডিকেটের মুল হোতা হাসান রাজার” ইকরা ট্রাভেলস এন্ড ভিসা কাউন্সিলিং নামে অফিসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
বিগত ১৮ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ সকাল অনুমান ১১ঘটিকায় ভাটারা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে ” আইকন ট্রাভেল এন্ড ভিসা কাউন্সিলং” অফিসে এ সময় দৈনিক মফঃস্বল বার্তা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার রুপালী আক্তার সাথী সহ কয়েকজন সাংবাদিক আগেই উপস্থিত হলে মোঃ হাসান রাজার লালিত পালিত সন্ত্রাসীরা অফিস ঘিরে ফেলে সংবাদ পেয়ে ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রায় ৪০ জনকে গ্রফতার করে থানা হাজতে নিয়ে যায়।
অনুসন্ধান কালে দেখা যায় ভবনটির আন্ডার গ্রাউন্ডে রয়েছে একটি টর্সার সেল যা দেখে পুলিশ ও সাধারণ মানুষ শিউরে ওঠে। কারন টর্সারসেলের মেঝেতে পরে রয়েছে ভুক্তভোগীদের রক্ত, লাঠি চাপাতি, বিভিন্ন সরঞ্জামআদী,মাদুর বালিশ। মানুষ কে বিভিন্ন দেশে পাঠানোর কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিতো এবং ঐ টাকা চাইলে ভুক্তভোগীদের অফিসে যেতে বলতো হাসান রাজা ও তার সহযোগীরা অফিসে গেলে নিয়ে যেতো টর্সার সেলের রুমে সেখানে নিয়ে টর্সার করে আরও মুক্তিপণ আদায় করতো বলে অভিযোগ রয়েছে ।
অভিযান চলাকালীন সময়ে হাসান রাজার মুঠোফোন নং- ০১৭৪৮০২৩১৭৫, দিয়ে তার লালিত পালিত তুসারের মুঠোফোনে ফোন দিয়ে সাংবাদিক রুপালী আক্তার সাথী কে বিভিন্ন দরনের গাল মন্দ ও হুমকি প্রদান করে বলে জানায় সাংবাদিক রুপালী আক্তার সাথী।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে হাসান রাজার পরিচয় পত্র নং- ১৯৮২২৬৯৪৮১১০০২৫০৩। ভবনের মালিকের সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হলে তিনি জানায় হাসান রাজা নিজেকে অস্ট্রেলিয়ার সিটিজেন দাবি করে অফিস ভাড়া নেয়।
তবে টর্সার সেলের বিষয় জানতে চাইলে সে এ বিষয় কিছু জানেন না বলে জানায়।
অনুসন্ধানে আরও বেরিয়ে আসে হাসান রাজার প্রতাক চক্রের সক্রিয় পর্টনার মোসাঃ শিরিন ও তুলি নামের দুই মহিলা রয়েছে।
প্রতারনার শিকার ৩ ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে হাসান রাজা ও তার হিসাব রক্ষক পাপিয়া সর্দার বর্তমানে হাসান রাজার স্ত্রী।অর্থ হাতিয়ে নেয়া ব্যক্তির
মধ্যে মাদারীপুরের আঃ হকের ১৭ লক্ষ টাকা, মাদারীপুরের মোঃ রাসেদ পিতা ইস্কান্দার আলী ব্যপারীর ১২ লক্ষ টাকা, ময়মনসিংহের আবির হোসেনের ৭ লক্ষ টাকা, ময়মনসিংহ ফুলবাড়িয়ার মুরাদ হোসেনের ৫ লক্ষ টাকা,ঢাকা মিরপুর-১২ মোঃ শাহীনের ১৮ লক্ষ টাকা সহ বিভিন্ন লোকের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে অনেকেই মামলা করেছে যা চলমান রয়েছে কিছু মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকলে ও অদৃশ্য কারনে গ্রেফতার হচ্ছে না অভিযুক্ত হাসান রাজা। এ ছাড়া ইতি পূর্বে হাসান রাজা সংসদ সদস্য ও বিভিন্ন জেলাপ্রসাশকের সিল স্বাক্ষর জালিয়াতি করে নিয়োগের প্রতারনা মামলায় রুপ নগর থানায় একটি মামলায় গ্রেফতারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। (অনুসন্ধান চলমান)