1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
হোসেনপুরে সুরাটি আহমাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ৮৫তম সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সাংবাদিক মো: সৈয়দ হোসেনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ ভারতে মুসলিম নির্যাতন প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের প্রতিবাদ -বিক্ষোভ মিছিল গাছায় কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্যসহ অস্ত্র মামলার আসামি গ্রেফতার ঢামেকে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের ‘দালাল’ সম্বোধনের প্রতিবাদে হোসেনপুরে মানববন্ধন বেলাবোতে ফার্মাসিটিক্যালস রিপ্রেজেন্টেটিভদের প্রতিবাদ সমাবেশ   প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নেত্রকোণায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস মার্শাল আর্ট (জুডো) প্রতিযোগিতাদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা কালের নতুন সংবাদ এর সম্পাদকের জন্মদিন আজ
শিরোনাম
হোসেনপুরে সুরাটি আহমাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ৮৫তম সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সাংবাদিক মো: সৈয়দ হোসেনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ ভারতে মুসলিম নির্যাতন প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের প্রতিবাদ -বিক্ষোভ মিছিল গাছায় কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্যসহ অস্ত্র মামলার আসামি গ্রেফতার ঢামেকে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের ‘দালাল’ সম্বোধনের প্রতিবাদে হোসেনপুরে মানববন্ধন বেলাবোতে ফার্মাসিটিক্যালস রিপ্রেজেন্টেটিভদের প্রতিবাদ সমাবেশ   প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নেত্রকোণায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস মার্শাল আর্ট (জুডো) প্রতিযোগিতাদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা কালের নতুন সংবাদ এর সম্পাদকের জন্মদিন আজ

২ বছর ধরে বেতন পান না ৪১ শিক্ষক-কর্মচারী, মানবেতর জীবনযাপন

  • প্রকাশ কাল মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৮২ বার পড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুনের স্বেচ্ছাচারিতায় দুই বছরের অধিক সময় ধরে বেতন পাচ্ছেন না ওয়ালী নেওয়াজ খান কলেজের নন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা। বেতন চাইলেই করা হয় দুর্ব্যবহার। এতে কলেজের ২৯ জন নন এমপিও শিক্ষক ও ১২ জন নন এমপিও কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ, আব্দুল্লাহ আল মামুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে বিনা কারণে শিক্ষক-কর্মচারীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং বেতনভাতা বন্ধ করে রাখেন। অধ্যক্ষের কারসাজির কারণেই বেতন হচ্ছে না। তাঁর স্বেচ্ছাচারিতার কারণে তাদের জীবন শেষ হয়ে গেল।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পায়, যা আগে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ছিল। তবে শিক্ষকের সংকট থাকলে কলেজ কতৃপক্ষ চাইলে এনটিআরসিএ এর অনুমোদনক্রমে পূর্ণকালীন শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে৷ ১৯৮২ সালে ওয়ালী নেওয়াজ খান কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। কলেজটি এমপিও হয় ১৯৮৪ সালে। বর্তমানে শিক্ষার্থী রয়েছে ৩৩০০ জন। কলেজটির বাৎসরিক আয় প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ আর ব্যয় প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তবে শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ কলেজে ফান্ডের অভাব নেই। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সঠিক আয়-ব্যয়ের হিসাব গোপন করে রাখছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলেন, দুই বছরেরও অধিক সময় ধরে বেতন পাই না। উনি কলেজেও নিয়মিত আসেননা। কাউকে দায়িত্ব দেন না এবং ছুটিও নেননা। কলেজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজেও আমরা তাকে পাইনা। আমরা ননএমপিও শিক্ষক। এটা আমাদের জন্য একটা অভিশাপ। উনি আমাদের বৈষম্যের চোখে দেখতেছেন এই পর্যন্ত। এমপিওভুক্তরাতো সরকারিটা পাচ্ছে আমরাতো একটাও পাচ্ছি না।

তাঁরা বলেন, শুধুমাত্র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের স্বদিচ্ছার অভাবে আমরা বেতন পাচ্ছি না। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলে ফান্ড নাই কিন্তু আমাদেরতো একটা হিসাব আছে। বাংলাদেশের একমাত্র কলেজ যেখানে বিনাবেতনে চাকরি করতে হচ্ছে। আমাদের দুরবস্থা দেখার মতো কেউ নাই। বেতনটাতো আমাদের বেসিক নিড। এমপিও শিক্ষকেরা তো মাসে মাসে সরকার থেকে একটা বেতন পায় আমরাতো তা পাইনা। খুব মানবেতর জীবনযাপন করছি। শিক্ষকদের অভিভাবক হচ্ছে গর্ভনিং বডি। এখন পর্যন্ত কেনো বেতন হচ্ছে না এটা দেখার দায়িত্ব কিন্তু গর্ভনিং বডির।

কলেজটির অভিভাবক সদস্য আবু নাসের মিন্টু হিলালি বলেন, টাকা আছে তারপরও বেতন দেয় না কেনো এটাতো গর্ভনিং বডির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলতে পারবে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সপ্তাহে একদিনও অফিস করে না। ফোন করলে ফোন রিসিভ করে না।

দাতা সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, মাসের পর মাস ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কলেজে আসে না। তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। ঠিকমতো মিটিংটাও করে না। একটা প্রতিষ্ঠানতো এভাবে চলে না, চলতে পারে না।

কলেজটির জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নূরু নাহার চায়না বলেন, তদন্তের মাধ্যমে নন এমপিও শিক্ষকদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ করে আমাদের প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়৷ আমরা প্রতিবেদন দাখিল করলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তা গ্রহণ না করে পুনরায় কমিটি গঠন করে তদন্ত করতে দেন অন্যদের। এখন কি অবস্থায় আছে তা আমি জানি না। মিটিং ডাকা হয়েছিলো তাও ক্যানসেল করা হয়েছে।

ওয়ালী নেওয়াজ খান কলেজের গর্ভনিং বডির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন বলেন, ৪২ বছর যাবত এ কলেজটা এভাবে চলছে। বিষয়গুলো আমি জানতাম না। কলেজটাকে পতিত সরকারের আমলে একবারে জিরো পজিশনে নিয়ে গেছে। কলেজটাতে ফান্ডিং নাই। আমি আসলে চলে যেতে চাই। এতো যদি গ্যাপ থাকে কিভাবে কি করা? এক প্রিন্সিপালকে দৌঁড়াইছে আরেক প্রিন্সিপাল (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ) আসেনা। এই প্রতিষ্ঠানে যাওয়াটা আমার অপরাধ হইছে। আমি চাচ্ছি একটা জরুরি মিটিং ডেকে বিষয়গুলো সেটেল্ড করতে।

এসব বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অপরিকল্পিত নিয়োগের কারণে অনেক বিভাগে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। কিন্তু বাস্তবতার খাতিরে এবং বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি কলেজ হওয়ায় ছাত্র সংখ্যা কমে যায়। সেটা বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৩ হাজারের নিচে চলে আসছে। এমতাবস্থায় ১২০ শিক্ষকের বেতন দেয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যার জন্য বিগত ৩ বছর মধ্যে দেড় বছরের বেতন দেয়া সম্ভব হয়নি। আমি আসার পরে ৪ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করেছি। আমি এ পর্যন্ত কোনো শিক্ষকের সাথে কোনো ধরনের দুর্ব্যবহার করিনি।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার বলেন, কলেজটির নিজস্ব গভর্নিং বডি রয়েছে, তাদের দায়িত্ব বিষয়টি দেখা। তারপরও কোন অভিযোগ পেলে আমরা তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠাতে পারি।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST