নান্দাইল, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাকচান্দা ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আসাদুল্লাহ’র স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দূর্নীতির ভিত্তিতে মাদ্রাসার কমিটি গঠনের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ থেকে জানা গেছে, উক্ত বাকচান্দা মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জৈষ্ঠ্যতা লঙ্ঘন করে তৎকালীন মাদ্রাসা কমিটির রেজুলিউশন খাতা গোপন করে নিজেই রেজুলিউশন তৈরী করে মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি, শিক্ষানুরাগী সমাজ সেবক, মাদ্রাসার সভাপতি এডভোকেট আব্দুল আহাদের স্বাক্ষর জাল করে মাওলানা আসাদুল্লাহ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নেন। ফলে এলাকাবাসী, ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবক সহ মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীগণের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করে।
অভিযোগে আরও জানাগেছে, জৈষ্ঠ্যতা লঙ্ঘন করে উক্ত অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আসাদুল্লাহ মাদ্রাসার নিকট তাঁর বাড়ি থাকার সুবাদে পেশী শক্তি প্রয়োগ করে পূর্বের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব হস্তান্তর করতে বাধ্য করে। উক্ত আসাদুল্লাহ অবৈধভাবে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হয়ে ধরাকে সরা জ্ঞান মনে করে টাকার বিনিময় সহ পেশী শক্তি ব্যবহার করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পছন্দের লোকদের দ্বারা কমিটি গঠনের চেষ্টায় লিপ্ত থাকায় মাদ্রাসার শিক্ষক, অভিভাবক, কর্মচারী ও এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
বিষয়টির প্রতি এলাকাবাসী, ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবক ও সূধী মহল জরুরী ভিত্তিতে বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আইসিটি মহোদয়সহ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাকচান্দা ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আসাদুল্লাহ বলেন, আমার উপর যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন আমাকে হ্যাঁও প্রতিপন্ন করার জন্যই একটি পক্ষ এ কাজগুলো করছি।