1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:৩০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণে -তথ্য প্রতিমন্ত্রী মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রেলিং ভেঙ্গে রেললাইনের ওপর ট্রাক কুড়িগ্রামের সাথে ঢাকাগামী ট্রেনচলাচল বন্ধ যমুনা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ চলছে উদ্ধার অভিযান জহির স্যারের অন্যরকম ঈদ আয়োজন কিশোরগঞ্জে কাঁঠাল নিয়ে বিরোধ, পুত্রের হাতে প্রাণ গেল বাবার সোহেল রানা হত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা ​কটিয়াদীতে ‘স্বপ্নদর্শী যুব ও প্রবাসী সমাজকল্যাণ রক্তদান সংঘ’ এর নতুন কমিটি গঠন তাড়াইলে শিক্ষিকার বদলির দাবিতে অভিভাবকদের অভিযোগ দাখিল হোসেনপুরে ব্র্যাকের বিনামূল্যে মুরগির বাচ্চা বিতরণ
শিরোনাম
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণে -তথ্য প্রতিমন্ত্রী মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রেলিং ভেঙ্গে রেললাইনের ওপর ট্রাক কুড়িগ্রামের সাথে ঢাকাগামী ট্রেনচলাচল বন্ধ যমুনা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ চলছে উদ্ধার অভিযান জনগণের ঐক্যই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি জহির স্যারের অন্যরকম ঈদ আয়োজন কিশোরগঞ্জে কাঁঠাল নিয়ে বিরোধ, পুত্রের হাতে প্রাণ গেল বাবার সোহেল রানা হত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা ​কটিয়াদীতে ‘স্বপ্নদর্শী যুব ও প্রবাসী সমাজকল্যাণ রক্তদান সংঘ’ এর নতুন কমিটি গঠন তাড়াইলে শিক্ষিকার বদলির দাবিতে অভিভাবকদের অভিযোগ দাখিল

বাজিতপুরের হাওড়ে ঘূর্ণিঝড়ে ১শত একর খিড়ার জমি নষ্ট, কৃষকের মাথায় হাত

  • প্রকাশ কাল বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ৫৬৯ বার পড়েছে


মাসুদুল ইসলাম সবুজ- কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর
উপজেলাটি হাওড় অধ্যুষিত উপজেলা। সেই উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ঘোড়াউত্রা নদীর পাড়ে অবস্থিত শিয়ালদীপাড় সংলগ্ন হাওড় রাজা পাইরা হাওড়ে গত মঙ্গলবার ঘূর্নিঝড়ে
কৃষকের ১শত ৫০ একর খিড়ার জমির মধ্যে প্রায় ১শত একর জমি মাটিতে মিশে গেছে বলে
খবর পাওয়া গেছে। কৃষকদের ধারণা এতে তাদের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ লক্ষ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা
হতে বলে ধারণা করছেন। গতকাল বুধবার দুপুরে শিয়াদীপাড় সংল্গন হাওড় রাজা পাইরা হাওড়ে
গেলে ক্ষতি গ্রস্ত কৃষক আককেল আলী, মিজান মিয়া, মোঃ শামসুল হক, জিয়াউল হক,
হোসেন আলীসহ ১৫-২০ জন কৃষকের সাথে আলাপ করলে এই প্রতিবেদককে জানান, প্রতি
একরে খিড়ার উৎপাদন হতো ৫শত থেকে ৬শত মন। তাদের প্রতি একরে খিড়ার চাষ করতে উৎপাদন
ব্যয় হয়েছে ৭০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা। এখন সবই যেন আশার নিরাশার মতো হয়ে
গেছে। তারা এখন পথে বসার উপক্রম হচ্ছে। এই খিড়ার খরচ দিয়ে তাদের সংসার চলতো। এখন
তারা তাদের সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হবে বলে অনেক কৃষক এই প্রতিবেদককে
জানিয়েছেন। তারা আরও বলেন, অনেক খিড়ার জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। সরকারিভাবে যদি
তাদেরকে প্রনোদনার ব্যবস্থা সরকার না করে তাহলে তাদের করুন অবস্থা হবে বলে উল্লেখ করেন
কৃষকরা। বাজিতপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা এ.বি.এম রকিবুল হাসান এই
প্রতিবেদককে বলেন, মাঠ পর্যায়ে কৃষি উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পাঠানো
হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST