1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মধুপুরে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে দোয়া মাহফিল আলাতুলিতে পদ্মার ভাঙন রোধে ৪৩ কোটি ৩৯লাখ টাকা ব্যায়ে কাজের উদ্বোধন কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় সরকারিকরণের অপেক্ষা ৩৩ বছর,মায়ের প্রতিশ্রুতি ছেলের হাতে বাস্তবায়ন চান কটিয়াদিবাসী সালিশে শিশুর ইজ্জতের মূল্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ; কুলিয়ারচরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ অবশেষে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারকে তার কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত করেছে প্রশাসন ভাদ্রের প্রথম সকাল: বর্ষার ভেজা পথ পেরিয়ে শরতের আগমন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮১ তম জন্মবার্ষিকী আজ চর খরিচা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের প্যাভিলিয়ন ভেঙে রড-ইট বিক্রির অভিযোগ কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ঘিরে সকল প্রস্তুতি চূড়ান্ত, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতা জোরদার স্ট্যান্ডরিলিজ আদেশের পরও বহাল তবিয়তে থাকা গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারের খুটির জোর কোথায়?
শিরোনাম
মধুপুরে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে দোয়া মাহফিল আলাতুলিতে পদ্মার ভাঙন রোধে ৪৩ কোটি ৩৯লাখ টাকা ব্যায়ে কাজের উদ্বোধন কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় সরকারিকরণের অপেক্ষা ৩৩ বছর,মায়ের প্রতিশ্রুতি ছেলের হাতে বাস্তবায়ন চান কটিয়াদিবাসী সালিশে শিশুর ইজ্জতের মূল্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ; কুলিয়ারচরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ অবশেষে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারকে তার কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত করেছে প্রশাসন ভাদ্রের প্রথম সকাল: বর্ষার ভেজা পথ পেরিয়ে শরতের আগমন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮১ তম জন্মবার্ষিকী আজ চর খরিচা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের প্যাভিলিয়ন ভেঙে রড-ইট বিক্রির অভিযোগ কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ঘিরে সকল প্রস্তুতি চূড়ান্ত, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতা জোরদার স্ট্যান্ডরিলিজ আদেশের পরও বহাল তবিয়তে থাকা গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারের খুটির জোর কোথায়?

কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় সরকারিকরণের অপেক্ষা ৩৩ বছর,মায়ের প্রতিশ্রুতি ছেলের হাতে বাস্তবায়ন চান কটিয়াদিবাসী

  • প্রকাশ কাল শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়েছে

মাইনুল হক মেনু, স্টাফ রিপোর্টার: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় তিন দশকেরও বেশি সময় আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেওয়া প্রতিশ্রুতি আজও বাস্তবায়িত হয়নি। ১৯৯৩ সালে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় সরকারিকরণের ঘোষণা দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৩৩ বছর পেরিয়ে গেলেও সরকারিকরণ হয়নি বিদ্যালয়টি। এবার সেই পুরোনো প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন করে আশাবাদী কটিয়াদীবাসী। আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কটিয়াদী সফরকে ঘিরে স্থানীয়দের প্রত্যাশা মায়ের দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবার হয়তো ছেলের হাত ধরে বাস্তবায়িত হবে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিঠিতে বলা হয়, কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় সরকারিকরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে সরকারিকরণের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কটিয়াদী সফরকালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিদ্যালয়টি সরকারিকরণের ঘোষণা দেন। এর কয়েক দিন পর প্রধানমন্ত্রীর তৎকালীন একান্ত সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকীর স্বাক্ষরিত চিঠি বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির বিষয়টি উল্লেখ করে সরকারিকরণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে এরপর আর সেই প্রক্রিয়া আলোর মুখ দেখেনি। কেন সরকারিকরণের উদ্যোগটি থেমে গেল, তার সুনির্দিষ্ট কারণও জানা যায়নি। এর মধ্যে বদলেছে সরকার, এসেছে নতুন শিক্ষা নীতি, হয়েছে নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ। কিন্তু কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে গেছে বেসরকারি ব্যবস্থাপনাতেই। ছয় দশকের পুরোনো এই প্রতিষ্ঠান ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত। বিদ্যালয়টি কটিয়াদীসহ আশপাশের এলাকায় নারী শিক্ষা বিস্তারে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক রয়েছেন ২৬ জন। এর মধ্যে ১২টি পদ শূন্য রয়েছে। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী রয়েছেন তিনজন। ১৯৮১ সালে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হয়। প্রায় ১ একর ৯৩ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের দাবি। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পাশাপাশি ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বিতর্ক, বিজ্ঞান ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমেও বিদ্যালয়টির সাফল্য রয়েছে।বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। আবার অনেকে প্রশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রকৌশল, ব্যাংকিং ও বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন পেশায় দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারিকরণ হলে বাড়বে সুযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতে, সরকারিকরণ হলে শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নতুন একাডেমিক ভবন, আধুনিক বিজ্ঞানাগার, গ্রন্থাগার ও তথ্যপ্রযুক্তি সুবিধা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং শিক্ষার্থীরা সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা আরও বেশি পাবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, বিদ্যালয়টি পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সাফল্য ধরে রেখেছে। সরকারিকরণ হলে এসব কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করা সম্ভব হবে। সরকারিকরণ হলে আধুনিক শিক্ষা উপকরণ, উন্নত শ্রেণিকক্ষ, বিজ্ঞানাগার ও কম্পিউটার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে। ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহমুদা হক সুইটি বলেন, আমাদের বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ হলে মেয়েদের জন্য আরও আধুনিক ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ তৈরি হবে। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করে বিদ্যালয়টি দ্রুত সরকারিকরণ এবার বাস্তবায়ন দেখতে চাই। অভিভাবক মোঃ ওহিদুজ্জামান অহিদ বলেন, কটিয়াদীর শিক্ষা বিস্তারে বিদ্যালয়টির অবদান অনেক পুরোনো। ফলাফল, শিক্ষার পরিবেশ ও অবকাঠামো বিবেচনায় বিদ্যালয়টি সরকারিকরণের দাবি রাখে। এটি সরকারিকরণ হলে শিক্ষার্থীদের পরিবারের আর্থিক চাপও কমবে। তিনি বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেওয়া প্রতিশ্রুতি এত বছরেও বাস্তবায়িত হয়নি। এবার তাঁর ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সময়ে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে এটাই আমরা তথা কটিয়াদীবাসীর প্রত্যাশা। অভিভাবক সৈয়দ হাকিকুল ইসলাম বলেন কটিয়াদীতে বালক ও বালিকা দুটি পাইলট বিদ্যালয়ের মধ্যে একটি পাইল বালক উচ্চবিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে সরকারিকরণ হয়েছে কিন্তু অন্যটি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এখনও সরকারিকরণ হয়নি। তাই কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়কেও সরকারিকরণের আওতায় আনা উচিত। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছালাহ্ উদ্দিন ভূঞা বলেন, সরকারিকরণের ঘোষণা শুধু মৌখিক ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠিও বিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সরকারিকরণের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক শর্ত রয়েছে। দীর্ঘদিনের এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আরিফুর রহমান কাঞ্চন বলেন, ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়টি নারী শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ১৯৯৩ সালে সরকারিকরণের ঘোষণা দেওয়ার পরও এতো বছর তা বাস্তবায়িত হয়নি। কটিয়াদীবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, এবার এর সমাধান হোক। প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছেম স্থানীয়রা। কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে নারী শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেওয়া সরকারিকরণের ঘোষণা এত বছরেও বাস্তবায়িত না হওয়া দুঃখজনক। তিনি বলেন, বিদ্যালয়টির সরকারিকরণের বিষয়টি দীর্ঘদিনের দাবি। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। আমি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সচিব ডা: কামাল উদ্দিন সিদ্দিকীর প্রেরিত চিঠিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। বিদ্যালয়টি সরকারি কর্মের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণ হতে পারে। তিন দশক আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো সেই চিঠি এখন বিদ্যালয়ের পুরোনো নথির অংশ। ৩৩ বছর ধরে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অপেক্ষায় থাকা একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে সেটিই হয়ে আছে দীর্ঘ প্রতীক্ষার দলিল। আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কটিয়াদীতে আসছেন এই সফর ঘিরে তাই শুধু রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক আয়োজন নয়, স্থানীয় শিক্ষাঙ্গনেও তৈরি হয়েছে আলাদা প্রত্যাশা। কটিয়াদীবাসীর প্রশ্ন একটাই ১৯৯৩ সালে মায়ের দেওয়া প্রতিশ্রুতি কি ৩৩ বছর পর ছেলের হাতে বাস্তবায়িত হবে?এখন সেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পুরো কটিয়াদীবাসী।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST