1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কুলিয়ারচরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা কেন্দুয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য নির্বাচিত মধুপুরে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেফতার ছয় মাস পর খোলা হলো পাগলা মসজিদের দানবাক্স, মিলল ৪৩ বস্তা টাকা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের আমের নতুন অর্থনৈতিক বিপ্লব
 সংবাদপত্র আর সাংবাদিকতা শেকলে বন্দি: ইঞ্জিনিয়ার মু. মহিউদ্দিন বেলাবো উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বারৈচা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বর্জ্য পরিচ্ছন্ন অপসারণ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় বৈশ্বিক সহায়তা রাজারহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ মাদক সেবির ৬ মাসের জেল-জরিমানা মাদকের আগ্রাসনে বিপন্ন পরিবার ও সমাজ: রুখে দাঁড়ানোর এখনই সময়
শিরোনাম
কুলিয়ারচরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা কেন্দুয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য নির্বাচিত মধুপুরে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেফতার ছয় মাস পর খোলা হলো পাগলা মসজিদের দানবাক্স, মিলল ৪৩ বস্তা টাকা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের আমের নতুন অর্থনৈতিক বিপ্লব
 সংবাদপত্র আর সাংবাদিকতা শেকলে বন্দি: ইঞ্জিনিয়ার মু. মহিউদ্দিন বেলাবো উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বারৈচা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বর্জ্য পরিচ্ছন্ন অপসারণ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় বৈশ্বিক সহায়তা রাজারহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ মাদক সেবির ৬ মাসের জেল-জরিমানা মাদকের আগ্রাসনে বিপন্ন পরিবার ও সমাজ: রুখে দাঁড়ানোর এখনই সময়

ভালুকায় ওসির উদ্যোগে স্বাভাবিক জীবন পেলো সাব্বির

  • প্রকাশ কাল বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩
  • ৩৮৭ বার পড়েছে

আফরোজা আক্তার জবা ভালুকা প্রতিনিধি ঃ ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেনের মানবিক উদ্যোগে সাব্বির (১৩) নামের এক মাদকাসক্ত কিশোর ফিরেছে স্বাভাবিক জীবনে। বৃহস্পতিবার সকালে থানার পক্ষ থেকে ওই কিশোর ও তার মা-বাবাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জনানো হয়।

সাব্বিরের পিতা বরকত আলী ও মা শাহানাজ আক্তার উচ্ছাস প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের ছেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় বাজে ছেলেদের সাথে মেলামেশা করে মাদকাসক্ত হয়ে পরে। অনেক বুঝিয়ে ও মারপিট করেও ছেলেকে মাদক থেকে ফেরাতে পারিনি। এ পর্যায়ে সে মাদক বিক্রেতা হয়ে উঠে। আমরা তাকে নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম। সে গত ডিসেম্ভর মাসে পুলিশের হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হয়। পরে আমরা থানায় এসে ওসি স্যারকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুনয় বিনয় করলে ওসি স্যার আমাদের ছেলেকে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে দেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু সেই সক্ষমতা আমাদের ছিলো না। পরে ওসি স্যার দয়া করে ওনার খরচে আমার ছেলেকে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে প্রেরণ করে। তিন মাস মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে থাকার পর এখন আমার ছেলে সম্পূর্ণ সুস্থ্য ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। আমরা ওসি স্যারের প্রতি চীর কৃতজ্ঞ।’

ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন বলেন, ‘কিশোর বয়সেই বাচ্চারা বেশিরভাগ সময়ে বকে যায়। নিন্মবিত্ত্ব পরিবার ও ছেলেটার বয়স খুব কম। তাই বাবা মাকে দেখে বিষয়টা আমি অন্য ভাবে চিন্তা করেছি। তাই মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে প্রেরণ করেছি।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST