নিজস্ব প্রতিবেদক:
১১ বছরেও শেষ হয়নি আতিয়া জাহান মৌ হত্যা মামলার বিচার।
কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইনের গোবদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আতিয়া জাহান মৌ হত্যা মামলার দীর্ঘ ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো রায়ের মুখ দেখেনি মামলাটি। বিচার কার্যক্রমের দীর্ঘসূত্রিতা ও বারবার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে যাওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার এবং স্থানীয় সচেতন মহল।
২০১৫ সালের ৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে নিজ বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও তরুণী শিক্ষিকা আতিয়া জাহান মৌ (২২)। পরে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার আগে থেকেই তিনি বখাটেদের ইভটিজিং ও প্রাণনাশের হুমকির শিকার ছিলেন।
ঘটনার পর নিহতের মা বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালত, কিশোরগঞ্জে বিচারাধীন রয়েছে।
সর্বশেষ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আবারও পিছিয়ে যায় বিচার কার্যক্রম। দীর্ঘ সময়েও বিচার সম্পন্ন না হওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার দাবি করেছেন।
সচেতন মহলের মতে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও মামলার দীর্ঘসূত্রিতা অপরাধ প্রবণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তারা মনে করেন, দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও কমে যাবে।