আমজাদ শরীফ,ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি ।
ফাল্গুনের আগমনি বার্তায় যখন প্রকৃতি সেজেছে নতুন সাজে,ঠিক তখনই মেধার অন্বেষণে এক অনন্য মিলন মেলায় মুখরিত হলো তাড়াইলের আকুবপুর।গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ আকুবপুরস্থ প্রোগ্রেসিভ কিন্ডার গার্টেন স্কুল প্রাঙ্গনে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদান করা হলো “রত্নগর্ভা রহিমা রহমান মেধাবৃত্তি ২০২৫”
বিত্ত নয়,বরং চিত্তের বিকাশে মেধার কদর করতে মোট ৩০ জন অদম্য শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেয়া হয় এই সম্মাননা।
পবিত্র কোরান তেলাওয়াতের মাধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই মহতী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পল্লীচিকিৎসক সিরাজুল ইসলাম ভূঞাঁ।
প্রোগ্রেসিভ কিন্ডার গার্টেনের পরিচালক শরীফুল ইসলামের প্রানবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের মুল সুরটি ছিল সুস্থ সুন্দর সমাজ গড়ার অঙ্গীকার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রত্নগর্ভা রহিমা রহমান মেধাবৃত্তি কর্মসূচির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও ডা.এফ আর ভূঞাঁ সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এর উপদেষ্টা ডা.ফজলুর রহমান ভূঞাঁ।
এ ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দিক নির্দেশনা প্রদান করেন-
রত্নগর্ভা পরিবারের কৃতি সন্তানেরা
*ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) মাহবুবুর রহমান ভূঞাঁ
*ডা.মাহফুজুর রহমান ভূঞাঁ,অ্যাডিশনাল ডাইরেক্টর,হাইপার টেনশন কন্ট্রোল প্রোগ্রাম,ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।
*জনাব মাহমুদুর রহমান ভূঞাঁ,ডাইরেক্টর অপারেশনস্, এ সি আই লিঃ
*জনাব ফারজানা রহমান তুলি,সিনিয়র শিক্ষক,শহীদ আনোয়ার গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ,ঢাকা।
*জনাব মাসুদুর রহমান ভূঞাঁ,ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়ান ব্যাংক।
*জনাব গোলাম মোর্শেদ,রিটায়ার্ড স্টাফ,ইউ এন
*জনাব জহিরুল ইসলাম ভূঞাঁ, ম্যানেজার, ফকির এ্যাপারেলস্।
অঞ্চলটির সাতটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ৩০ জন শিক্ষার্থীকে আর্থিক অনুদান ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ২হাজার টাকা করে মোট ৬০ হাজার টাকা গরীব মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়।
প্রতিষ্ঠান গুলো হলো
প্রোগ্রেসিভ কিন্ডার গার্টেন, আকুবপুরের ০৬ জন শিক্ষার্থী
উমেদআলী ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ০৪জন
*শাহ আবুল হাশেম উচ্চ বিদ্যালের ০৪ জন
*তালজাঙ্গা আর সি রায় উচ্চ বিদ্যালয়ের ০৪জন
*তালজাঙ্গা ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালের ০৪জন
*তালজাঙ্গা ইউনিয়ন আলিম মাদ্রাসার ০৪জন
আকুবপুর রাজ্জাকিয়া দারুস সুন্না আলিম মাদ্রাসার ০৪ জন।
উল্লেখ করা যায় যে,মহিয়সী রহিমা রহমান তাঁর জীবদ্দশাতেই ২০১৮ সালে এই বৃত্তির শুভসূচনা করেছিলেন।তাঁর এই স্বপ্নের বীজ আজ এক বিশাল মহীরুপে পরিনত হয়েছে।অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথি বৃন্দ বলেন-রত্নগর্ভা পরিবারের এই সদস্যরা নিরবে- নিভৃতে সমাজের অন্ধকার দূর করে আলোর মশাল জ্বেলে চলেছেন।
বিশেষ অতিথিদের মধ্য থেকে, শাহ্ আবুল হাশেম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জনাব শাহ আবুল হাশেম মানিক,প্রোগ্রেসিভ কিন্ডার গার্টেনের অভিভাবক প্রতিনিধি জনাব আমিনুল ইসলাম খান,সার্জেন্ট(অব:) মহিউদ্দিন মাসুদ,মো.শাকিবুল হাসান শাকিল,কনসালটেন্ট অপটোমেট্রিস্ট তাদের বক্তব্যে এই মহতি উদ্যোগের ভূয়সী প্রসংশা করেন।
রত্নগর্ভা পরিবারের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে সমাজের কল্যাণে আরো বড় পরিসরে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
“শিক্ষাই যেখানে আলো,সেখানেই মুক্তি-“
এই স্লোগানকে ধারন করে রত্নগর্ভা রহিমা রহমানের আদর্শ বেঁচে থাকুক প্রতিটি মেধাবীর স্বপ্নে।