সরকার অরুণ যদুঃ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
রাজারহাট প্রেসক্লাবের আয়োজনে ৮শতাধিক
ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন
সরকার অরুণ যদুঃ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের রাজারহাট প্রেসক্লাব এর আয়োজনে ভিক্ষুক,এতিম ও প্রতিবন্ধী সহ ৮শতাধিক ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন করা হয়েছে। শুক্রবার রাজারহাট প্রেসক্লাবে কম্বল বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কম্বল বিতরণ করেন, রাজারহাট কারিগরি বাণিজ্যিক কলেজ অধ্যক্ষ আবুল হোসেন সরকার।
রাজারহাট প্রেসক্লাব সভাপতি সরকার অরুণ যদু’র সভাপতিত্বে এবং প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কম্বল বিতরন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক চিন্ময় রায় পলাশ, সমকালের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি সুজন মোহন্ত ও অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ।
কম্বল পেয়ে আনন্দে কেঁদে ফেলেন ৮০বছর বয়সি প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, “এই কম্বলের জন্যে কত জায়গায় গেইছং, কাইয়ো মোক একখ্যান কম্বল দেয় নাই। তোমার প্রেসক্লাব হামাক ডাকে আনি কম্বল দিলেন”।
উপজেলার রাজারহাট ইউনিয়নের স্বরুপ চামারু গ্রামের ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ ভিক্ষুক আমজাদ হোসেন বলেন, “কোন মেম্বার-চেয়ারম্যান হামাক কম্বল দেয় নাই, আজারহাট প্রেসক্লাব হামাক কম্বল দেইল, এল্যা এইখ্যান গাত দিয়ে রাইতত ঘুম পারবের পাইমো।”
উপজেলার আতারমেলা গ্রামের অন্ধ ভিক্ষুক কান্দুরা বলেন, “মোক কম্বলটা দিলেন তোমার গুলার জন্যে মুই দোয়া করিম”
কম্বল বিতরন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ আবুল হোসেন সরকার বলেন, সাংবাদিকদের এই আয়োজনের মত সমাজের অন্যান্য শ্রেণী পেশার মানুষদেরও এগিয়ে আসা উচিৎ। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তারা সামাজিক কর্মকান্ডে অবদান রাখার বিষয়টি সত্যিই আনন্দ দায়ক।
কম্বল বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ আবুল হোসেন সরকার বলেন, সাংবাদিকদের এই আয়োজনের মত সমাজের অন্যান্য শ্রেণী পেশার মানুষদেরও এগিয়ে আসা উচিৎ। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তারা সামাজিক কর্মকান্ডে অবদান রাখার বিষয়টি সত্যিই আনন্দ দায়ক।
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক চিন্ময় রায় পলাশ বলেন, আজকের মতো ভবিষ্যতেও রাজারহাট প্রেসক্লাবের সাংবাদিকগণ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কাজে অংশ গ্রহন অব্যাহত রাখবেন বলে আশা করছি।
রাজারহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি সরকার অরুন যদু বলেন, ভিক্ষুক-এতিম সহ ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন করতে পেরে নিজেকে অনেক ভালো লাগছে।