প্রেস রিলিজ
কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানার স্বামীর ছুরির আঘাতে স্ত্রী হত্যা মামলার ঘাতক স্বামী সাকিব মিয়া(২৩) সিপিসি-২, র্যাব-১৪, কিশোরগঞ্জ কর্তৃক গ্রেফতার।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, ভিকটিম ইকরাবিন ইভা (২১) এর পিতা ও মাতা প্রবাশে থাকার সুবাদে ঘাতক সাকিব মিয়ার সাথে ভিকটিমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ভিকটিমের মাতা বিউটি আক্তার(৩৫), স্বামী-ইব্রাহিম মিয়া, সাং-ছয়চির, থানা-পাকুন্দিয়া, জেলা-কিশোরগঞ্জ প্রবাশ থেকে দেশে এসে বিবাহের বিষয় জানতে পেরে নিজ বাড়িতে ভিকটিম ও মেয়েকে রেখে দেন। দাম্পত্য জীবনে তাদের ০৭ মাসের ছেলে সন্তান রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে পারিবারিক বিষয় নিয়ে উভয়ের মাঝে দাম্পত্য কলহ হইত। গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫খ্রিঃ অনুমান ২৩৩০ ঘটিকায় পাশের রুমে হঠাৎ করে মেয়ের চিৎকার শুনে বাহির হয়ে দেখিতে পান ধৃত ঘাতক রাকিব মিয়া রক্তমাখা ছুরি সহ বাহির হচ্ছে। বাদী ঘরের ভিতরে ভিকটিমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দেখিতে পেয়ে দ্রুত সদর হাসপাতাল কিশোরগঞ্জে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিম ইকরাবিন ইভা(২১) কে মৃত্যূ ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মাতা বিউটি আক্তার(৩৫) বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানায় ঘাতক স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার পাকুন্দিয়া থানার মামলা নং-১২, তারিখ-১৯ ডিসেম্বর ২০২৫খ্রিঃ, ধারা-৩০২ পেনাল কোড। উক্ত মামলা রুজু হওয়ার পর সিপিসি-২, র্যাব-১৪, কিশোরগঞ্জ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং পলাতক ঘাতক স্বামীকে গ্রেফতারে তৎপর হয়।
এরই প্রেক্ষিতে, সিপিসি-২, র্যাব-১৪, কিশোরগঞ্জ এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ধৃত ঘাতক সাকিব মিয়া এর বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অদ্য ০৩ জানুয়ারী ২০২৬খ্রিঃ অনুমান ১৬৪০ ঘটিকায় সিপিএসসি, র্যাব-৭, চট্রগ্রাম এর সহায়তায় চট্টগ্রাম মহানগরীর কর্ণফুলী থানাধীন ইসাক নগর বিএফডিসি রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত স্ত্রী হত্যা মামলার ঘাতক স্বামী সাকিব মিয়া(২৩), থানা-পাকুন্দিয়া, জেলা-কিশোরগঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।