1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
হোসেনপুরে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার গাজীপুরে বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত নান্দাইলে ১০০ পরিবারের মাঝে বিশুদ্ধ পানির জন্য নলকূপ বিতরণ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত থাকবে নওয়াব আলী চৌধুরীর নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হল প্রতিষ্ঠার দাবি লিবিয়ার সমাজকল্যাণ উপমন্ত্রী এবং বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত’র বৈঠক কুলিয়ারচর কৃষি বিভাগে কংগ্রেস পার্টি অনুষ্ঠিত লিবিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা সহ (মেনাপ) এর বৈঠক গাজীপুরে চলন্ত বাসে ছাত্রীকে হয়রানি ও পিতাকে জখম তাড়াইলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনেরজাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা
শিরোনাম
হোসেনপুরে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার গাজীপুরে বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত নান্দাইলে ১০০ পরিবারের মাঝে বিশুদ্ধ পানির জন্য নলকূপ বিতরণ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত থাকবে নওয়াব আলী চৌধুরীর নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হল প্রতিষ্ঠার দাবি লিবিয়ার সমাজকল্যাণ উপমন্ত্রী এবং বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত’র বৈঠক কুলিয়ারচর কৃষি বিভাগে কংগ্রেস পার্টি অনুষ্ঠিত লিবিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা সহ (মেনাপ) এর বৈঠক গাজীপুরে চলন্ত বাসে ছাত্রীকে হয়রানি ও পিতাকে জখম তাড়াইলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনেরজাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা

আজ রাজারহাট মুক্ত দিবস

  • প্রকাশ কাল শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৩১ বার পড়েছে

সরকার অরুণ যদুঃ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

আজ ৬ ডিসেম্বর রাজারহাট মুক্ত দিবস। রাজারহাটে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় অনেক মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছিল ।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষকদের সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সনে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর পাক বাহিনী রাজারহাট-কুড়িগ্রাম সড়কের পার্শ্বে ঠাটমারীতে ক্যাম্প গড়ে তোলে। এখান থেকে পাকসেনারা তাদের সহযোগীদের মাধ্যমে পরিকল্পনা মাফিক বিভিন্ন স্থানে সাধারন মানুষের ঘর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ,নরহত্যা,ধর্ষণ, লুটপাটসহ নানা বর্বরোচিত অপকর্ম চালান।

এখানে যুদ্ধ চলাকালীন প্রায় দিন কোন না কোন স্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সাধারণ মানুষদের ধরে এনে নানাভাবে নির্যাতন শেষে হত্যা করা হতো । এভাবে কত মানুষকে হত্যা করে লাশ পার্শ্বের ব্রীজের নীচে পানিতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে এবং কত মানুষকে হত্যার পর ঠাটমারি বদ্ধভূমিতে মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে এর সঠিক পরিসংখ্যান কেউ জানেন না। তবে পানির স্রোতে অগণিত মানুষের লাশ ভেসে যেতে দেখেছেন এলাকাবাসী। এরমধ্যে মুক্তিযুদ্ধে ঠাটমারীতে ১১জন মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার রেকর্ড রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদে।

পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর নানা অপকর্মের সাক্ষী ঠাটমারী বধ্যভূমি। মহান মুক্তিযুদ্ধে নানা বেদনা বিধুর ও স্মৃতি বিজড়িত ঘটনার সাথে জড়িয়ে রয়েছে এটি। শহীদদের সম্মানার্থে ২০০৬ সালে সরকারি অর্থায়নে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঠাটমারী বধ্যভূমিতে গড়ে উঠে স্মৃতিস্তম্ভ। বিজয়ের মাস আসলে কথা আসে ঠাটমারী বধ্যভূমির। এসব লোমহর্ষক ঘটনা যারা জানেন, এখনো মনে পড়লে শিহরে উঠেন তারা।
শেষপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীর প্রতিরোধের মুখে পাকবাহিনী,কুড়িগ্রাম থেকে টগরাইহাটের উপর দিয়ে রাজারহাট হয়ে পিছু হঠতে শুরু করে।

রাজারহাট উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রজব আলী জানান,বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন শেষ পর্যায়ে বাংলার মুক্তিকামী দামাল ছেলেদের প্রতিরোধের মুখে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী রাজারহাট ছেড়ে পালিয়ে যায়। ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সনে রাজারহাট হানাদার মুক্ত হয়।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST