1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

লিবিয়ার চীফ অব মিশন এবং লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত এর বৈঠক অনুষ্টিত

  • প্রকাশ কাল বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬২ বার পড়েছে

ওয়াসিম কামাল লিবিয়া।।

লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোঃ হাবীব উল্লাহ, এসজিপি, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল-এর আমন্ত্রণে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), লিবিয়ার চীফ অব মিশন মিজ নিকোলেটা জিওর্দানোর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ০৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ দূতাবাস পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দল মান্যবর রাষ্ট্রদূত এবং দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন, সুরক্ষা ও কল্যাণসংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
মান্যবর রাষ্ট্রদূত আইওএম-এর চীফ অব মিশনকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং লিবিয়া থেকে বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনে তাদের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আইওএম-এর সহায়তায় লিবিয়ায় বিপদগ্রস্ত অভিবাসীরা দেশে ফিরে পরিবার ও সমাজের সঙ্গে পুনরায় একীভূত হতে পারছেন এবং নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করার সুযোগ পাচ্ছেন। এ প্রেক্ষিতে, বিপদগ্রস্ত অভিবাসীদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে আইওএম-এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রেক্ষিতে, তিনি ত্রিপলী ও বেনগাজীসহ লিবিয়ার বিভিন্ন শহর থেকে ইতোমধ্যে নিবন্ধিত বাংলাদেশি অভিবাসীদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান। এছাড়াও মান্যবর রাষ্ট্রদূত ঝুঁকিপূর্ণ ও অসুস্থ অভিবাসীদের চিকিৎসা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে আইওএম-এর অধিকতর সহযোগিতা কামনা করেন।
চীফ অব মিশন বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে আইওএম-এর ঘনিষ্ঠ ও ফলপ্রসূ সহযোগিতার বিষয়ে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্রুত, কার্যকর এবং মানবিক পদক্ষেপ লিবিয়ায় বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশি অভিবাসীদের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি জানান, স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবর্তনে ইচ্ছুক অভিবাসীদের দ্রুততম সময়ে প্রত্যাবাসন করতে আইওএম সকল প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণামূলক কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় উদ্ভূত চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করার বিষয়ে একমত হন। পাশাপাশি বাংলাদেশ স্কুলসহ প্রবাসী কমিউনিটির কল্যাণ ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
পরিদর্শনকালে চীফ অব মিশন অভিবাসীদের নিবন্ধন কার্যক্রম এবং দূতাবাসের কনস্যুলার সেবা কেন্দ্র সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় তিনি বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যক্রমকে ‘অনুকরণীয়’ হিসেবে অভিহিত করেন।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST