।নিকলী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:- কিশোরগঞ্জের নিকলীতে বিদ্যালয় বন্ধ রেখে গরুর হাট জমে আসছিল,দীর্ঘ পচিশ বছর পরে যৌথ বাহিনী বাজারটি উচ্ছেদ করছেন। জারুইতলা ইউনিয়নের সাজনপুর আঠার বাড়ীয়া সরকারী বিদ্যালয় বন্ধ রেখে প্রতি বুধবার সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত সাপ্তাহিক এ গরুরর হাট জমে আসছিল।এ গরুর হাটে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজারো ক্রেতা বিক্রেতার সমাগম ঘটে।এখানে গরু,চাগল পরিবহন করতে শত- শত ট্রাক,টমটম ও পিকআপ ব্যাবহার হয়,এসব গাড়ী রাখার নির্ধারী কোন স্থান না থাকায়, নিকলী- ভৈরব এর মূল সড়ক সহ গ্রামের সুরু রাস্তায় উপর রাখতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতা বিক্রেতারা।রাস্তাঘাট বন্ধ থাকার কারনে,প্রতি বুধবারে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রম,জারুইতলা স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষাসহ সাধারন যাতায়ত চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে এমনকি এই দিন নিকলী থেকে ভাগলপুর মেডিকেল কলেজ এ রোগী পরিবহনের এম্বুলেন্স ছয় কিলোমিটার ঘুরে গুরুই, হিলচিয়া দিয়ে যাতায়ত করতে হয়। এই হাটে হাজারো ক্রেতা,বিক্রেতার ভিড়ে ও বিশাল স্কুল মাঠে, গ্রামের সরু রাস্তায় সারি- সারি গরু বেঁধে রাখার কারনে আঠার বাড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আসতে পারেনা যে কারনে কার্য্যত বুধবারে বিদ্যালয়টি বন্ধ থাকে।একই মাঠের কোনে থাকা জারুইতলা ইউনিয়ন কমপ্লেক্সের দাপ্তরিক কাজও বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন কর্তৃপক্ষ।প্রকৃত পক্ষে এ গরুর হাটি গোপী রায়ের গরুর হাট হিসেবে প্রতি বছর সরকারী ডাকে ইজারা দেওয়া হয়ে থাকে,চলতি বছর এ গরুর হাট টি তিন কোটি একাত্তর লক্ষ টাকা মূল্যে ইজারা নেন আলী জমসেদ নামের এক ব্যাক্তি।ইজারাকৃত হাটের স্থান পরিবর্তন করে স্কুল মাঠে হাট জমিয়ে আসছেন ইজারাদার।স্থনাীয়দের অভিযোগ আমলে না নিয়ে তাদের উল্টো ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন ইজারাদার।সাধারণ মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে নিকলী থানা পুলিশ বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর যৌথ অভিযানে আজ এই গরুর হাট উচ্ছেদ করেছেন।উচ্ছেদ এর সময় হাটের ইজারাদার আলী জমশেদ পালিয়ে যান। যৌথ অভিযানের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নিকলী উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি) প্রতিক দত্ত ইজারাদারকে নগদ ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন।