1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নিকলীতে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন কটিয়াদীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় মহড়া হোসেনপুরে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় মহড়া কুলিয়ারচরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে সিএমপি কমিশনারকে সিআরএ’র স্মারকলিপি” সচেতনতাই পারে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে—বকশীগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ডিজিটাল বিচারের কাঠগড়ায় মানুষ: সিদ্ধান্ত প্রযুক্তির, জবাবদিহি কার? নিকলীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে ব্যবসায়ী-যুবদল নেতার পাল্টাপাল্টি মামলা
শিরোনাম
নিকলীতে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন কটিয়াদীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় মহড়া হোসেনপুরে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় মহড়া কুলিয়ারচরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে সিএমপি কমিশনারকে সিআরএ’র স্মারকলিপি” সচেতনতাই পারে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে—বকশীগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ডিজিটাল বিচারের কাঠগড়ায় মানুষ: সিদ্ধান্ত প্রযুক্তির, জবাবদিহি কার? নিকলীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে ব্যবসায়ী-যুবদল নেতার পাল্টাপাল্টি মামলা

১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড

  • প্রকাশ কাল বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৩০৫ বার পড়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট

শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড  বলতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টুকুতেই পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী কর্তৃক পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের জ্ঞানী-গুণী ও মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের হত্যা করাকে বুঝায়। ১৯৭১ এর ডিসেম্বর মাসে স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তান বাহিনী যখন বুঝতে শুরু করে যে তাদের পক্ষে যুদ্ধে জেতা সম্ভব না, তখন তারা নবগঠিত দেশকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে দুর্বল এবং পঙ্গু করে দেয়ার জন্য পরিকল্পনা করতে থাকে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস বাহিনীর সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিজ নিজ গৃহ হতে তুলে এনে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে। এই পরিকল্পিত গণহত্যাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত। বন্দী অবস্থায় বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের লাশ শনাক্তও করা যায়নি, পাওয়াও যায়নি বহু লাশ। ১৯৭১ এর ১৪ ডিসেম্বরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বুদ্ধিজীবী হত্যার স্মরণে বাংলাদেশের ঢাকায় বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ডাকবিভাগ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে একটি স্মারক ডাকটিকিটের সিরিজ বের করেছে।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST