1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক ও শিক্ষকতা এবং আমার ভাবনা

  • প্রকাশ কাল মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১২৭ বার পড়েছে

লেখক, মো: শাহজাহান কবীর ভূঁঞা
ইন্সট্রাক্টর,উপজেলা রির্সোস সেন্টার,
কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ।

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষার অর্থ ব্যাপক। শিক্ষার অর্থ প্রকাশ করা কঠিন। শিক্ষা শব্দটির অর্থ শাসন করা, নিয়ন্ত্রণ করা, উপদেশ দেওয়া। বিদ্যা অর্থ জানা বা জ্ঞান আহরণ করা। সুতরাং শব্দগত অর্থে শিক্ষা বলতে জ্ঞান অর্জনকরা, যোগ্যতা লাভ করা ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করাকে বোঝায়। বর্তমান কালে উন্নতি বা বিকাশ সাধন অর্থে শিক্ষা শব্দ ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

শিশুবয়সে নির্জীব শিক্ষার মতো ভয়ংকর ভার আর কিছুই নেই, তা মনকে যতটা দেয় তার চেয়ে পিষে বের করে অনেক বেশি। শেখার কালে, বেড়ে ওঠার সময়ে প্রকৃতির সহায়তা নিতান্তই চাই। গাছপালা, স্বচ্ছ আকাশ, মুক্ত বায়ু, নির্মল জলাশয়, উদার দৃশ্য এগুলো বেঞ্চি ও বোর্ড, পুঁথি এবং পরীক্ষার চেয়ে কম আবশ্যক নয়। মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্তই তার অধীন। মানুষের অন্তর্নহিত পরিপূর্ণ বিকাশই হলো শিক্ষা।

শিক্ষক ও শিক্ষকতা:-
শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত শ্রেণিভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা অর্জন শিখনফল অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হল শিক্ষক। শিক্ষক হলেন তিনি যিনি শিক্ষাদান করেন। শিক্ষক হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি যে বিষয়ে শিক্ষাদান করবেন সে বিষয়ের দক্ষতা, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত চাহিদা পূরণের বোধগম্যতা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ সৃষ্টি করা যাতে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে পারে। এবং নতুন নতুন ধ্যান ধারণা অনুযায়ী কাজ করেন। সেই সাথে একুশ শতকের দক্ষতা বিকাশে নিজেকে পুরোপুরি প্রস্তুত করে গড়ে তোলেন। সময় অনুযায়ী ডিজিটাল প্রযুক্তির জ্ঞান ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত করে গড়ে তোলেন।

একজন আর্দশ শিক্ষকের শিক্ষকতার জন্য প্রয়োজন :-

  • বিষয় বস্তু সম্পর্কে সবার্ধিক ধারণা থাকা।
  • শিক্ষাদানের কৌশল সম্পর্কে সার্বিক ধারণা থাকা।
  • শ্রেণিকক্ষে নি:স্বাথ ভাবে সেবা প্রদানের মনমানসিকতা।
  • শিক্ষা উপকরণের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে জানা।
  • শিক্ষার্থীর চাহিদা অনুযায়ী শিখন-শেখানো কার্যাবলী পরিচালনা।

শিক্ষার্থী বান্ধব বিদ্যালয়:-
শিশু জন্মের পর থেকেই প্রকৃতি থেকে দেখে দেখে শিখে অনুকরণ করে শিখে। তাই শিক্ষার্থীরা যখন প্রথম প্রথম বিদ্যালয়ে যায় তখন থেকেই তাদের সুষ্ঠ বিকাশের জন্য যথার্থ পরিবেশ, উদার ও সহৃদয় মানসিকতা, প্রীতিপ্রেমের পরিচর্যা। এজন্য মুখ্য ভূমিকা পালন করে শিশুবান্ধব বিদ্যালয়। জন্মের পর থেকেই শিশু বিস্ময়ভাবে প্রকৃতি থেকে আহরণ করে জ্ঞানের অনিময়ধারা। ওদের জীবন সুষ্ঠু বিকাশে চাই যথার্থ পরিবেশ, উদার ও সহৃদয় মানসিকতা, প্রীতিপ্রেমের পরিচর্যা। অভিভাবক সমাজই যার পরিকল্পিতরুপ দেয়ার কারিগর। এজন্য মুখ্য ভূমিকা পালন করে শিশুবান্ধব বিদ্যালয়।

শিশুবান্ধব বিদ্যালয়ের সূচক:-

  • একজন প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বের দক্ষবাহিনী গড়ে তোলা।
  • বিদ্যালয়ের পরিবেশ নিরাপদ ও আকর্ষনীয়।
  • বিদ্যালয় ও সমাজের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন।
  • শিক্ষার্থীর চাহিদা অনুয়ায়ী শিখন-শেখানো কার্যাবলীর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা।
  • শিক্ষার্থীর সৃজনশীল কার্যক্রম নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করা।
  • আকর্ষনীয়। শ্রেণিক্ষক ।
  • শিক্ষার্থীর ইউনিফরম।
  • ইনোভেটিভ আইডি বাস্তাবয়ন।
  • পিটিএ কমিটির মাধ্যমে পাঠাগার স্থাপন।
  • নিরাপদ ওয়াশবক্ল এর ব্যবস্থা থাকা।
  • শিক্ষার্থীদের মাঝে নেতৃত্ব মনোভাব সৃষ্টি করা।
  • বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ।
  • নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা
  • সহজলভ্য উপকরণের ব্যবহার নিশ্চিত করা।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST