আতাউর রহমান বাচ্চু, নান্দাইল প্রতিনিধি:
একটি ছোট কালভার্টের অভাব। আর এই সামান্য কারণেই বছরের পর বছর চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল গ্রামের অর্ধেক সাধারণ মানুষকে। মুশুল্লী ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড মাইজহাটি গ্রামের খালপাড়ের বাসিন্দাদের। বিশেষ করে স্কুল ও কলেজের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিদিন প্রায় আধা কিলোমিটার (হাফ কিলোমিটার) রাস্তা বাড়তি ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হতো। বর্ষাকালে এই ভোগান্তি রূপ নিত চরম রূপ। স্থানীয় মানুষ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একটি কালভার্ট বা যাতায়াতের সুব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসলেও মিলছিল না কোনো সমাধান।অবশেষে গ্রামীণ জনপদের এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অস্থায়ী অবসান ঘটিয়েছেন তরুণ প্রজন্মের উদীয়মান সমাজসেবক রবিউল ইসলাম রবিন। কোনো সরকারি বরাদ্দ বা জনপ্রতিনিধি হওয়ার অপেক্ষা না করে, সম্পূর্ণ নিজস্ব সদিচ্ছা ও উদ্যোগে তিনি এই জনকল্যাণমুখী কাজটি সম্পন্ন করে দিয়েছেন।সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন এই যাতায়াত ব্যবস্থার ফলে এলাকার চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ এখন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই সরাসরি যাতায়াত করতে পারছেন। এতে যেমন সময় বাঁচছে, তেমনি দূর হয়েছে দীর্ঘদিনের মানসিক ও শারীরিক কষ্ট।রবিউল ইসলাম রবিনের এই মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা এখন পুরো এলাকাজুড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “নেতা বা জনপ্রতিনিধি না হয়েও যে জনগণের পাশে দাঁড়ানো যায়, রবিন ভাই তা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। তার এই কাজ আমাদের এলাকার অন্য তরুণদেরও ভালো কাজের অনুপ্রেরণা জোগাবে।”এ বিষয়ে তরুণ সমাজসেবক রবিউল ইসলাম রবিন জানান, “জনগণের ভোগান্তি দেখে নিজের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই কাজটি করার চেষ্টা করেছি। পদের চেয়ে মানুষের কল্যাণই বড় কথা। ভবিষ্যতেও এলাকার যেকোনো প্রয়োজনে মানুষের পাশে থাকার এই ধারা অব্যাহত রাখব।”এলাকাবাসীর মতে, সমাজের বিত্তবান ও তরুণ প্রজন্ম এভাবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এলে দেশের যেকোনো প্রান্তের গ্রামীণ অবকাঠামোগত সমস্যা সহজেই সমাধান করা সম্ভব।