1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি পলিমাটি’র বিনম্র শ্রদ্ধা বর্ণাঢ্য আয়োজনে কটিয়াদীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন নান্দাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ভালুকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত নানা আয়োজনে কিশোরগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন স্বাধীনতা দিবসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাল চট্টগ্রাম রিপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন (সিআরএ) যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন হালিশহর থানা পুলিশ যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হোসেনপুরে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে গণসংবর্ধনা ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা
শিরোনাম
স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি পলিমাটি’র বিনম্র শ্রদ্ধা বর্ণাঢ্য আয়োজনে কটিয়াদীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন নান্দাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ভালুকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত নানা আয়োজনে কিশোরগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন স্বাধীনতা দিবসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাল চট্টগ্রাম রিপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন (সিআরএ) যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন হালিশহর থানা পুলিশ মধুপুরে ২৬মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হোসেনপুরে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে গণসংবর্ধনা

লিবিয়ার ভূমধ্য সাগরে রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু

  • প্রকাশ কাল মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়েছে

ওয়াসিম কামাল লিবিয়া।।

২০২৬ সালের শুরুতেই ভূমধ্যসাগর হয়ে ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টা চরম ট্র্যাজেডিতে রূপ নিয়েছে। বছরের প্রথম দুই মাসেই এই রুটে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৃত্যুর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের তথ্যে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে।
আইওএম-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ভূমধ্যসাগরে অন্তত ৬৫৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রাণ হারিয়েছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন। যা গত বছরের একই সময়ের (২৮৭ জন) তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। বিস্ময়কর বিষয় হলো, ইউরোপে অনিয়মিত প্রবেশের সংখ্যা কমলেও মৃত্যুর হার উল্টো বেড়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্স এবং গবেষকরা এই প্রাণহানির জন্য কয়েকটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছেন:

প্রাকৃতিক দুর্যোগ: ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‌‘হ্যারি’ অসংখ্য নৌকাডুবির কারণ হিসেবে কাজ করেছে।
পাচারকারীদের নিষ্ঠুরতা: ফ্রন্টেক্সের মতে, পাচারকারীরা অতিরিক্ত মুনাফার আশায় সমুদ্রযাত্রার অনুপযুক্ত ও জরাজীর্ণ নৌকায় অভিবাসীদের তুলে দিচ্ছে।

রুট পরিবর্তন: ফ্রান্সের সিএনআরএস-এর গবেষক আর্নো বানো জানান, বলকান বা স্থলপথগুলো প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মানুষ দীর্ঘ ও বিপজ্জনক সমুদ্রপথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে, যেখানে নজরদারি ও উদ্ধার তৎপরতা কম।
বেসরকারি উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে যে, ইউরোপীয় দেশগুলোর নতুন নীতিমালা তাদের কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

অভিবাসী বিশেষজ্ঞ ফিলিপো ফুরির মতে, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো পারিবারিক পুনর্মিলন এবং স্টাডি ভিসার নিয়ম কঠোর করায় মানুষ অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিতে মরিয়া হয়ে উঠছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন তিউনিসিয়া ও লিবিয়ার সাথে যে চুক্তি করেছে, তা আদতে পাচারকারীদের নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করেছে বলে দাবি করছেন বিশ্লেষকরা।
সবশেষে, গবেষকদের আশঙ্কা-উদ্ধারকারী ও সীমান্ত সংস্থাগুলো কেবল যারা ইউরোপের উপকূলে পৌঁছায় তাদেরই গণনা করে। ফলে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST