তাড়াইল থেকে ছাদেকুর রহমান রতন :
এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে তাড়াইল উপজেলার সদর ইউনিয়ন এর পাইকপাড়া গ্রামের মাজহারুল কবির খান (আমজাদ খান) ও মাতা রোজিনা আক্তারের একমাত্র মেধাবী কন্যা আফসানা আক্তার ঐশি। জিপিএ-৫ পাওয়ায় পরিবারে নেমে এসেছে খুশির বন্যা।
খুশির খবর এখানেই শেষ নয়। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সি ইউনিট এ ৪৭০তম হয়ে আবারও কৃতিত্ব দেখিয়েছে আফসানা আক্তার ঐশি এবং প্রথম আলো থেকে পেয়েছে অভিনন্দন পত্র।
পিতা মাজহারুল কবির খান (আমজাদ খান) ইউনি লিভার কোম্পানির মার্কেটিং অফিসার ছিলেন এবং মাতা রোজিনা আক্তার বর্তমানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান উদ্দীপন এনজিও তে চাকরি করেন। এই সুবাদে তিতাস গ্যাস আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে ২০২৩ সালে কৃতিত্বের সহিত এসএসসি পাশ করে আফসানা আক্তার ঐশি। ২০২৬ সালে সনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ ডেমরা, ঢাকা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সহিত উত্তীর্ণ হয়। এরপর শুরু হয় ভর্তি যুদ্ধ। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় ৪৭০ তম হয়ে আবারও কৃতিত্ব অর্জন করে অবাক করে দেয় সহপাঠী শিক্ষার্থীদের মাঝে।
ঐশি বড় হয়ে একজন বিসিএস ক্যাডার হতে চায় বলে জানিয়েছেন তার পিতা আমজাদ খান। এজন্য তাড়াইল উপজেলাবাসী তথা দেশবাসীর কাছে একমাত্র সন্তান ঐশির জন্য দোয়া চেয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, আফসানা আক্তার ঐশি তাড়াইল উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের খান বাড়ির মরহুম মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ খান ও সুভাষ বিবির নাতনি। আফসানা আক্তার ঐশি সপরিবারে বর্তমানে ঢাকা বসবাস করছেন।