1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শিরোনাম
এলো প্রাণের ভাষার মাস মাদকাসক্তি তাড়াইলে পিতাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরাম’র নতুন কমিটিঃ চেয়ারম্যান আবু সালেহ, মহাসচিব জাহাঙ্গীর আলম প্রধান ময়মনসিংহে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪ আসন্ন নির্বাচন ও জনগণের প্রত্যাশা সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গনতন্ত্র রক্ষায় আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ – সোহেল হোসেন কায়কোবাদ ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিন ছাড়াই তিন আসামি ছেড়ে দেওয়ায় -ডেপুটি জেলার বরখাস্ত দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীতে তারেক রহমান, ঐতিহাসিক জনসভায় নির্বাচনী অঙ্গীকার কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুরে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যের ডাক: মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে প্রাণবন্ত মতবিনিময়

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, ৭৩ অভিবাসীর মৃত্যুর শঙ্কা

  • প্রকাশ কাল শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ২৩২ বার পড়েছে

ওয়াসিম কামাল লিবিয়া।।

ভূমধ্যসাগরের লিবীয় উপকূলে অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে। এতে কমপক্ষে ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার বরাত দিয়ে বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে প্রসাশন
জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) ইন লিবিয়া গত বুধবার তাদের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে অভিবাসীদের বহনকারী নৌকা ডুবে যাওয়ার কথা জানায়। এতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবির পর কমপক্ষে ৭৩ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন এবং তারা মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আইওএম আরও জানিয়েছে, নৌকাডুবির পর সাতজন বেঁচে গেছেন এবং তারা দুর্ঘটনাকবলিত নৌকা থেকে তীরে পৌঁছেছেন। অভিবাসীদের বহনকারী ওই নৌকাটি ত্রিপোলির পূর্বের কাসর আলকায়ার থেকে ইউরোপে যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছিল এবং এতে প্রায় ৮০ জন আরোহী ছিলেন।
জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক এই সংস্থাটি জানিয়েছে, লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট এবং স্থানীয় পুলিশ এখন পর্যন্ত ১১টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এছাড়া জীবিত সাত অভিবাসীকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, উন্নত জীবনের আশায় অভিবাসীদের উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টায় প্রাণহানির বিষয়টি অনেকটা সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে এবং গত মঙ্গলবারের ঘটনাটি এর সর্বশেষ উদাহরণ।
২০১১ সালে লিবিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। আর এরপর থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীদের জন্য লিবিয়া একটি প্রধান ট্রানজিট রুট হয়ে উঠেছে।
এছাড়া লিবিয়ায় অভিবাসীরা নির্যাতন, যৌন নির্যাতন এবং মানব পাচারের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে বছরের পর বছর ধরে সতর্ক করে আসছে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST