1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আজাদীর ৬৭ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে সিআরএ’র শুভেচ্ছা কুড়িগ্রামের কন্ঠ শিল্পী খন্দকার সম্রাটকে ভাওয়াইয়া মহারাজ পদকে ভূষিত এসএসসি দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ -৫ প্রাপ্ত ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা মদনে পল্লী বিদ্যুৎ ট্রান্সফর্মার চুরির হিড়িক,সেচ নিয়ে বিপাকে কৃষক রাজশাহীতে সাংবাদিকদের আইন ও পেশাগত দায়িত্ববিষয়ক প্রশিক্ষণ হোসেনপুর প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ গাজীপুরে স্বর্ণের দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগে আটক -২ কুলিয়ারচরে হালচাষের ট্রাক্টর উল্টে চালক নিহত হাতির পায়ের তলায় পাহাড়ি কৃষকের স্বপ্ন নিকলীতে নব যোগদানকৃত ইউএনও’র মত বিনিময় সভা
শিরোনাম
দৈনিক আজাদীর ৬৭ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে সিআরএ’র শুভেচ্ছা কুড়িগ্রামের কন্ঠ শিল্পী খন্দকার সম্রাটকে ভাওয়াইয়া মহারাজ পদকে ভূষিত এসএসসি দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ -৫ প্রাপ্ত ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা মদনে পল্লী বিদ্যুৎ ট্রান্সফর্মার চুরির হিড়িক,সেচ নিয়ে বিপাকে কৃষক রাজশাহীতে সাংবাদিকদের আইন ও পেশাগত দায়িত্ববিষয়ক প্রশিক্ষণ হোসেনপুর প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ গাজীপুরে স্বর্ণের দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগে আটক -২ কুলিয়ারচরে হালচাষের ট্রাক্টর উল্টে চালক নিহত হাতির পায়ের তলায় পাহাড়ি কৃষকের স্বপ্ন নিকলীতে নব যোগদানকৃত ইউএনও’র মত বিনিময় সভা

রাজারহাটে বাঁশ‌ শিল্প‌ বিলুপ্তির পথে

  • প্রকাশ কাল মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭৮ বার পড়েছে

সরকার অরুণ যদুঃ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

রাজারহাট উপজেলার‌ ৭ টি ইউনিয়নের ‌প্রায় ৪০ টি‌ গ্রামে একসময় গ্রামের হাট-বাজারে বাঁশের তৈরি কুলা, ডালা, চালুনি, ঝুড়ি, খাঁচা, ধামা কিংবা মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণের ছিল ব্যাপক চাহিদা। বাড়ির উঠান থেকে হাটের দোকান—সবখানেই দেখা মিলত বাঁশশিল্পের ব্যবহার। সময় বদলেছে। আধুনিকতা আর প্লাস্টিকের দাপটে সেই চিত্র এখন অনেকটাই ম্লান।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখনও কিছু পরিবার বংশপরম্পরায় বাঁশের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে তাদের জীবন এখন আর আগের মতো স্বচ্ছল নয়। দিনভর বাঁশ কেটে, চেঁছে, বুনে একটি পণ্য তৈরি করার পরও প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় অনেক কারিগরকে সংসারের খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

সরেজমিনে কয়েকটি বাঁশশিল্পী পরিবার ঘুরে দেখা যায়, কারও বাড়ির উঠানে পড়ে আছে কাঁচা বাঁশ, কোথাও চলছে বাঁশ চাঁছার কাজ। পরিবারের পুরুষের পাশাপাশি নারী ও শিশুরাও বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করছে। কিন্তু তৈরি পণ্যের স্তূপ থাকলেও ক্রেতার দেখা মিলছে তুলনামূলক কম।

কারিগর কাছিম উদ্দিন জানান, চল্লিশ বছর ধরে বাঁশের বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করে বিক্রি করছি।এখন আগের মতো ক্রেতা নাই,কারণ সবাই এখন আধুনিক হইছে।

কারিগর নুরুজ্জামান বলেন,আগে বাঁশের দাম কম ছিলো তাই পোষাত। এখন দাম বেশি হওয়ায় দিন হাজিরা উঠেনা।তাই এই পেশা বাদ দিয়ে কৃষি কাজ করছি।

অন্যান্য কারিগরদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বাঁশ কিনতে এখন আগের তুলনায় বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। এরপর রয়েছে বাঁশ কাটা, চাঁছা, বোনা, পরিবহন ও বাজারজাত করার খরচ। সব মিলিয়ে একটি পণ্য যে শ্রম ও সময় লাগে, বাজারে অনেক সময় তার উপযুক্ত মূল্য পাওয়া যায় না।

অন্যদিকে একই ধরনের পণ্য প্লাস্টিক বা সিনথেটিক উপকরণে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাঁশের তৈরি পণ্যের ব্যবহার কমেছে।

হস্তশিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বাঁশের পণ্য তৈরিতে কারিগরকে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হয়। অথচ সেই শ্রমের যথাযথ মূল্য না পাওয়ায় অনেকেই বিকল্প পেশার দিকে ঝুঁকছেন।
কেউ দিনমজুরি করছেন, কেউ কৃষিকাজে যুক্ত হচ্ছেন, আবার কেউ অন্য কোনো ছোট ব্যবসার চেষ্টা করছেন। ফলে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে চলে আসা এই ঐতিহ্যবাহী পেশাটি ধীরে ধীরে মানুষের জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।

এলাকার সচেতন মহল জানান, কারিগরদের জন্য বয়স্ক ভাতা,ক্ষুদ্র ঋণসহ বিভিন্ন সরকারি প্রণোদনা পেলে তারা হয়ত শেষ জীবনে ডালভাত খেয়ে পার করতে পারত।
এবিষয়ে, রাজারহাট উপজেলার সমাজ সেবা অফিসার জনাব, এস এম হাবিবুর রহমান এর ৮সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST