ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি :-
কিশোরগঞ্জ শহরের কালীবাড়ি মোড় হচ্ছে মটর বাইকের পার্টস প্রাপ্তির নির্ভরযোগ্য স্থান। এখানে ১০/১২ টি বাইকের পার্টসের দোকান। বাইকাররা প্রতিনিয়তই পার্টস ক্রয় করতে এখানে আসেন। কিন্তু এ যাবত কোনদিন পার্টসের প্যাকেটের গায়ে কি লেখা থাকে তা কি কেউ পড়ে দেখেছেন ? পার্টসের সুদৃশ্য প্যাকেটে পণ্যের
ছবিটাই আমরা শুধু দেখি,কিন্তু এর দাম,উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ কখনো লক্ষ্য করিনা।
আজ একটি ইগনিশন সুইচ (মিটারের) কিনতে গিয়ে এর দাম ৪৮০/ টাকা শুনার পর আমার খটকা লেগেছে। আরেকটি দোকানে যাচাই করে এর দাম ৩০০/ টাকা শুনেও বিস্মিত হয়েছি। আমরা নিম্ন মধ্যবিত্তের বাইক চালকরা পার্টস কিনে না জানি কত বছর ধরে কতভাবে যে প্রতারিত হচ্ছি তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। ঔষধসহ নানাবিধ খাদ্য পণ্যের প্যাকেটে যদি মূল্য লেখা থাকে তাহলে পার্টসের প্যাকেটে থাকবেনা কেন ? দোকানদাররা যার কাছ থেকে যেমন মূল্য আদায় করতে পারে সেটারই যেন নগ্ন প্রতিযোগিতা চলছে।
এসব পার্টস বিক্রেতাদের নিকট আমরা বাইকাররা অসহায়। গত দুদিন পূর্বে লেখক ও সাংবাদিক আতাউর রহমান বাচ্চু কর্তৃক ঊষা এন্টারপ্রাইজ থেকে ৮৫০০/ টাকায় কেনা ২১ টি পার্টসের কোনটির গায়েই মূল্য লেখা পাইনি। তাহলে দোকানদার কি দেখে মূল্য নির্ধারণ করলো ? প্যাকেটের গায়ে পেয়েছি কালো মার্কার পেনে লেখা Lx 2 /XB2 /ACE 2 / B2 / ও XX 2 ইত্যাদি গোপন কোড। বাইকাররা কত অসহায় হয়ে যে তাদের কাছ থেকে পার্টস কেনে তা কেবল ভূক্তভোগীরাই বলতে পারবে।
এরনের অযৌক্তিক ও মনগড়া মূল্যের ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ পার্টস ব্যবসায়ীরা সঠিক ব্যাখ্যা দেবেন কি ? নতুবা অরাজকতার লাগাম টেনে ধরবার জন্য তো ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর আছেই। কারণ ইতোমধ্যে সরকারের গতিশীল এই সংস্থাটি দেশের হোটেল রেষ্টুরেন্ট, পাইকারী ও খুচরা বাজার এবং মনোহারি দোকানসহ বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য উৎপাদনকারী কারখানায় শক্ত অভিযান পরিচালনা করে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। তাই কিশোরগঞ্জ শহরের কালীবাড়ি মোড়ের পার্টসের দোকানগুলোতেও সরজমিনে অনুরূপ অভিযান পরিচালনাসহ তদন্তের মাধ্যমে পার্টসের সঠিক মূল্য রহস্য উদঘাটন করা এখন সময়ের দাবী ।
সম্পাদক ও প্রকাশক- খায়রুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক - সোহেল রানা
সম্পাদকীয় কার্যালয়- ৫২২ আইনুল্লাহ স্কুল রোড, স্বল্পমারিয়া, বএিশ, কিশোরগঞ্জ।
০১৯১২৫৫০৭২৭,০১৭২৪৫৭৪২১৭
Copyright © 2026 কালের নতুন সংবাদ. All rights reserved.