নিজস্ব প্রতিবেদক:
লোকসংস্কৃতি গবেষণা, সাহিত্য, নাট্যচর্চা ও সাংবাদিকতায় দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারে বিশেষ আলোচক হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছেন কেন্দুয়ার কৃতী সন্তান রাখাল বিশ্বাস। আগামীকাল বুধবার (১৭ জুন) ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য এ সেমিনারে তিনি বক্তব্য প্রদান করবেন।
কেন্দুয়া পৌরশহরের কান্দিউড়া গ্রামের বাসিন্দা রাখাল বিশ্বাস প্রায় ছেষট্টি বছরের জীবনে নিজ কর্ম ও সৃজনশীল সাধনার মাধ্যমে সমৃদ্ধ করেছেন স্থানীয় ও জাতীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে। তিনি একজন খ্যাতিমান লোকসংস্কৃতি গবেষক, পালা নাট্যকার, বিশিষ্ট যাত্রাভিনেতা, কবি, সাংবাদিক এবং বহু গ্রন্থের প্রণেতা হিসেবে সুপরিচিত।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্থানীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে জাতীয় পরিসরে তুলে ধরতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন সভা-সেমিনার, গবেষণা আলোচনা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশ নিয়ে তিনি সাহিত্যভূমি কেন্দুয়ার ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরছেন।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও রাখাল বিশ্বাসের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সম্পৃক্ততা। বিশেষ করে কেন্দুয়া উপজেলার সাহিত্য-সংস্কৃতিবিষয়ক সংগঠন ‘চর্চা সাহিত্য আড্ডা’র সূচনালগ্ন থেকেই তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন। সংগঠনের সদস্যরা তাঁর এই অর্জনে আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় সাহিত্যপ্রেমী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা মনে করেন, জাতীয় পর্যায়ের সেমিনারে বিশেষ আলোচক হিসেবে রাখাল বিশ্বাসের অংশগ্রহণ শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং সমগ্র কেন্দুয়ার জন্য এক অনন্য সম্মান ও গৌরবের বিষয়।
কেন্দুয়ার এই গুণীজনের সুস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও দীর্ঘ কর্মময় জীবন কামনা করেছেন শুভানুধ্যায়ীরা।
যাত্রাভিনেতা রাখাল বিশ্বাস বলেন, জাতীয় পর্যায়ের এই গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারে বিশেষ আলোচক হিসেবে আমন্ত্রণ পাওয়ায় আমি আয়োজকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে আমার জন্মভূমি কেন্দুয়ার সকল সাহিত্যপ্রেমী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
আমি বিশ্বাস করি, আমাদের লোকসংস্কৃতি, সাহিত্য ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরা আজ সময়ের দাবি। দীর্ঘদিন ধরে আমি সেই প্রচেষ্টারই একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। জাতীয় পর্যায়ে কেন্দুয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সাহিত্য ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ পাওয়াকে আমি আমার জন্য গৌরবের বিষয় মনে করি।
সবার দোয়া, আর্শীবাদ, ভালোবাসা ও সহযোগিতা ভবিষ্যতেও আমার চলার পথকে আরও সমৃদ্ধ করবে। আমি যেন দেশ, সমাজ ও সংস্কৃতির কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারি, সে জন্য সবার আশীর্বাদ কামনা করছি।
সম্পাদক ও প্রকাশক- খায়রুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক - সোহেল রানা
সম্পাদকীয় কার্যালয়- ৫২২ আইনুল্লাহ স্কুল রোড, স্বল্পমারিয়া, বএিশ, কিশোরগঞ্জ।
০১৯১২৫৫০৭২৭,০১৭২৪৫৭৪২১৭
Copyright © 2026 কালের নতুন সংবাদ. All rights reserved.