আত্মশুদ্ধিতেই মুক্তি“বুদ্ধ পূর্ণিমা” বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও পবিত্র দিবস। ত্রিপিটকের মতে, এই দিনেই গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ ও মহাপরিনির্বাণ সংঘটিত হয়। এই দিনে শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয় শান্তির দূত, মানবতার প্রতীক গৌতম বুদ্ধকে…যিনি মানুষকে শিখিয়েছেন অহিংসা, সহানুভূতি ও করুণার মহৎ পথ।বুদ্ধের জন্মদিন বা বুদ্ধ দিবস (বুদ্ধ জয়ন্তী এবং বুদ্ধ পূর্ণিমা নামেও পরিচিত) একটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যা দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব এবং পূর্ব এশিয়ায় উদযাপিত হয়। রাজকুমার সিদ্ধার্থ গৌতমের জন্মকে স্মরণ করে, যিনি গৌতম বুদ্ধে রণত হন এবং বৌদ্ধ ধর্মের সন্ধান পান।পএিই বছর যেদিন সূর্যোদয়ের সময় পূর্ণিমা তিথি বিরাজ করে, সেই দিনটিকে উৎসবের দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর ভিত্তিতে ১২ মে ২০২৫ তারিখে বৈশাখ পূর্ণিমা ব্রত পালন করা হবে। ১২ মে চন্দ্রোদয় ঘটবে বিকাল ৫:৫৯ মিনিটে, যা পূজার জন্য ঐতিহ্যগত সময়।এই দিনে সারা দেশ থেকে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বুদ্ধের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো যেমন বোধগয়া, লুম্বিনী এবং সারনাথ পরিদর্শন করেন। এই উৎসবের সময় তারা মাংস খাওয়া এড়িয়ে চলেন এবং অন্যদের নিরামিষ খাবার পরিবেশন করেন। মানুষ বুদ্ধের শিক্ষা এবং কিভাবে সেগুলো তাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করা যায় সে সম্পর্কে চিন্তাভাবনা ও ধ্যান করেন।বৌদ্ধ ধর্মের ৫টি নৈতিক নীতি হলো ঃ হত্যা না করা, চুরি না করা, যৌনতার অপব্যবহার না করা, মিথ্যা কথা না বলা, মাদকাসক্তি না করাসব মন্দকে এড়িয়ে চলা, ভালো কাজ করা এবং নিজের মনকে শুদ্ধ করাÑএটাই বুদ্ধের শিক্ষা।“বুদ্ধ পূর্ণিমা” Ñ এটি শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি মানবজাতির জন্য একটি আধ্যাত্মিক জাগরণের দিন। এই দিনে সকল মানবজাতির জন্য বুদ্ধের একটি আলোকবর্তিকা দেওয়া হয়।ুক্তির পথ আত্মশুদ্ধির ভেতরেই নিহিত।”“মানুষের মশুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে সকল জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে মৈত্রময় শুভেচ্ছা।
রেহানা ফেরদৌসী
সহ সম্পাদক, সমাজকল্যাণ বিভাগ,পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি(কেন্দ্রীয় পুনাক)মোহাম্মদপুর, ঢাকা।০১৯১১-৫০৪৬৩৮
সম্পাদক ও প্রকাশক- খায়রুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক - সোহেল রানা
সম্পাদকীয় কার্যালয়- ৫২২ আইনুল্লাহ স্কুল রোড, স্বল্পমারিয়া, বএিশ, কিশোরগঞ্জ।
০১৯১২৫৫০৭২৭,০১৭২৪৫৭৪২১৭
Copyright © 2026 কালের নতুন সংবাদ. All rights reserved.