লেখাঃ রেহানা ফেরদৌসী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সদস্যদের নির্বাচনের জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য একটি সাধারণ নির্বাচন।এই নির্বাচন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর পরবর্তী সরকার নির্ধারণ করবে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে দেশ পরিচালনা করা,ডঃ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদের উপর একটি সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও নেমেছে নির্বাচনী উত্তাপ।দীর্ঘ অপেক্ষার পর জাতি এগোচ্ছে এক বহুল প্রত্যাশিত মাহেন্দ্রক্ষণের দিকে।এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা।
এ নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।তবে পূর্ববর্তী চারটি নির্বাচনে বিজয়ী দল আওয়ামীলীগ বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না।প্রাথমিকভাবে, ২,৫৮২ জন প্রার্থীকে মনোনীত করা হয়েছিল।নির্বাচন কমিশন তাদের মধ্যে ৭২৩ জনকে অবৈধ ঘোষণা করেছে, যার ফলে বর্তমানে ১,৮৪২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।এই নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জাতীয় নাগরিক দল(এনসিপি) থেকে। যা সাম্প্রতিক নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এই সংখ্যা নিঃসন্দেহে নির্বাচনি প্রতিযোগিতায় বহুমাত্রিকতা ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
এক নজরে নির্বাচনী প্রক্রিয়া:
এই নির্বাচন কেবল একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয় বরং এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার জন্য এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।জনগণ প্রত্যাশা করছে—এই নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী,মোট ২০ দিন নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। এই সময়সীমা চলবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, প্রচারণা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমেছে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোও। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচনি তদন্ত কমিটি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী—সবাই সক্রিয় হয়েছে। সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষমতা নিয়ে তদন্ত কমিটির তৎপরতা এবং প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের মোতায়েন নির্বাচনকে সুশৃঙ্খল রাখতে কর্তৃপক্ষ তথা রাষ্ট্রের প্রস্তুতির চিত্রই তুলে ধরে।এবারের নির্বাচন পরিচালিত হবে ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’ অনুযায়ী। এই বিধিমালা লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদন্ড দেড় লাখ টাকা জরিমানা এবং প্রয়োজনে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও রয়েছে ইসির হাতে।এই বিধিমালার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো-পোস্টারবিহীন নির্বাচন।এটি নির্বাচনী ইতিহাসে এটি এক নতুন অধ্যায়। পোস্টার, পিভিসি ব্যানার, প্লাস্টিক ফেস্টুন নিষিদ্ধ করে পরিবেশবান্ধব প্রচারণার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা হবে, অন্যদিকে অর্থ ও পেশিশক্তির অপব্যবহারও কমবে বলে আশা করা যায়।আধুনিক নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বড় ভূমিকা রাখবে।তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও, ছবি বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।ঘৃণাত্মক বক্তব্য, নারী ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ, ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার, চরিত্রহনন সবকিছুর ওপর রয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা।শোডাউন, গাড়িবহর, মশাল মিছিল, ড্রোন ব্যবহার, আলোকসজ্জা, তোরণ নির্মাণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন, তাও নির্দিষ্ট মাপ ও শর্তে।অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বা ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ কোনো প্রার্থীর হয়ে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না।
আর এসব নিয়ম-কানুন, সব প্রস্তুতি শেষ পর্যন্ত অর্থবহ হবে তখনই, যখন ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন।
দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সুসংহত করার লক্ষ্যে আসন্ন নির্বাচনে নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণ বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচনের সাফল্যের কেন্দ্রে রয়েছে নতুন ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ। বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ তরুণ, সংখ্যায় যা ৫ থেকে ৬ কোটি এবং জনসংখ্যার কাঠামোগত পরিবর্তনে যা জনমিতিক লভ্যাংশ হিসেবে বিবেচিত। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নতুন ও তরুণ ভোটারের সংখ্যা ১ কোটি ৫৪ লাখ ৫২ হাজার ৯৫৬। মোট ভোটার যেখানে প্রায় ১২ কোটি, সেখানে এই তরুণ ভোটারের সংখ্যা কম নয় বলে তারা অনুপেক্ষণীয়।নতুন ভোটাররা সব সময় একটি উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্ব করেন। তাদের সংখ্যা নির্বাচনের ফলাফল এবং রাজনৈতিক দলের নীতিগত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে সক্ষম। বিশেষ করে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিদ্যমান দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির গঠনমূলক সমন্বয় ঘটিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আলোচ্যসুচি নির্ধারণে নতুন ভোটারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতিগুলোর অন্যতম গণতন্ত্র ও মানবাধিকার। প্রজাতন্ত্র হচ্ছে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সুসংহতকরণ এবং রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদানের গুরুত্ব তুলে ধরার ক্ষেত্রে নতুন ভোটারদের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।নতুন ভোটাররা এ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক সচেতনতা ও মূল্যবোধ রপ্ত করার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক নীতিসমূহ গভীরভাবে উপলব্ধি করবে, যা পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন, লিঙ্গ সমতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের পক্ষে সমর্থনের মধ্য দিয়ে আরো ন্যায়সংগত সমাজ গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সুশাসনের অন্যতম স্তম্ভ হচ্ছে প্রশাসনিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং নাগরিক সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। উদীয়মান শিক্ষিত জনগোষ্ঠী হিসেবে নতুন ভোটারদের জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করে ব্যক্তিগত কল্যাণ বিবেচনায় তথাকথিত রাজনৈতিক স্বার্থে আবদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কম। তারা রাজনৈতিক প্রার্থী ও দলগুলোর কাছ থেকে বৃহত্তর স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি দাবি করতে পারে, যা গণতান্ত্রিক শাসন প্রক্রিয়ায় একটি স্বাস্থ্যকর রাজনৈতিক পরিবেশ গঠনে কার্যকর। তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে মত প্রকাশের জন্য স্বতঃস্ফূর্ত ও নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম প্রত্যাশা করে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনি ইশতেহারে তারা সমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখতে চায়। বিশেষ করে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও প্রত্যাশিত হারে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা জরুরি।এছাড়া তরুণ ভোটাররা পরিচ্ছন্ন রাজনীতির জন্য দুর্নীতির চর্চা হ্রাস এবং আরো দক্ষ সরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী দায়িত্ব পালন করতে পারে। বিশেষভাবে, তরুণ ভোটাররা যখন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকবেন, তখন তারা দেশে টেকসই গণতন্ত্র নিশ্চিত করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি সর্বজনীন শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করতে পারবেন। গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশ ছাড়া সাম্প্রদায়িকতা, বৈষম্য, বেকারত্বসহ তরুণদের এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।আর ভোট হলো গণতন্ত্র চর্চার অন্যতম মাধ্যম।তাই নিজ সমস্যার সমাধানকল্পে হলেও ভোটাধিকার প্রয়োগে বদ্ধপরিকর হতে হবে।নতুন ভোটারদের বহুবিধ দৃষ্টিভঙ্গি, দৈনন্দিন প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা, রাজনৈতিক শিক্ষা ও সচেতনতা, সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি হ্রাস, বৃহত্তর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি তৈরি এবং আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করতে সক্ষম। তারা ভোটার হিসেবে নিছক ভোট প্রদান করবেন, এমনটি নয় বরং এর মাধ্যমে তাদের চিন্তার প্রতিফলন ঘটবে, যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এটি জাতির ভবিষ্যত দিকনির্দেশনা তৈরি এবং আগামী দিনগুলোর জন্য একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ভিত্তি নিশ্চিত করবে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। এ নির্বাচনে পুলিশের পেশাদার ও নিরপেক্ষ ভূমিকা জনগণের আস্থার প্রধান ভিত্তি হবে।নির্বাচনের সময় বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্ব,নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে..এমনটাই আশা করা যায় ।
বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য কমনওয়েলথ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে। জাতিসংঘও শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ নির্বাচন আয়োজনের আশা প্রকাশ করেছে।
ভোটারদের দায়িত্ব শুধু ভোট দেওয়া নয় বরং তারা যেন কোনো গুজব, ভয় বা প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার না করেন—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কেবল রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল নয়। গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ, পর্যবেক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যমের দায়িত্ব থাকবে তথ্যভিত্তিক, ভারসাম্যপূর্ণ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন করা। একই সঙ্গে ভুল তথ্য ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা।
নাগরিক সমাজকে নজরদারি ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। নির্বাচন মানেই কেবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয় বরং এটি একটি জাতীয় উৎসব—এই ধারণা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।তাই আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি কেবল একটি তারিখ নয়,এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক।যদি নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, গণমাধ্যম এবং ভোটার—সবাই নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন,তবে এই নির্বাচন ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এখন দেখার বিষয়—এ প্রত্যাশা কতটা বাস্তবতায় রূপ নেয়।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কেবল একটি দাবি নয় বরং এটি একটি জাতির অধিকার। ১২ ফেব্রুয়ারি হোক সেই অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন-এটাই গণতন্ত্র কামী প্রতিটি মানুষের প্রত্যাশা।
এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হবে।এ নির্বাচনে নতুন ভোটারদের মুখ্য ভূমিকা বোঝা শুধু রাজনৈতিক আলোচনার বিষয় নয়, দেশের বিকশিত গণতান্ত্রিক আখ্যানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
সম্পাদক ও প্রকাশক- খায়রুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক - সোহেল রানা
সম্পাদকীয় কার্যালয়- ৫২২ আইনুল্লাহ স্কুল রোড, স্বল্পমারিয়া, বএিশ, কিশোরগঞ্জ।
০১৯১২৫৫০৭২৭,০১৭২৪৫৭৪২১৭
Copyright © 2026 কালের নতুন সংবাদ. All rights reserved.