1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন

কিশোরগঞ্জে স্বামীর ভিটায় ঘর নির্মাণে দেবরের বাধা, বিধবার ঘরে চুরি, লুটপাট

  • প্রকাশ কাল সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

কিশোরগঞ্জে স্বামীর পৈত্রিক ভিটায় ঘর নির্মাণে দেবরের বাধা, বিধবার ঘরে চুরি, লুটপাট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের জালিয়া পাড়ায় স্বামীর পৈত্রিক ভিটায় ঘর নির্মাণে বাধার মুখে পড়েছেন নুরুন্নবীর বিধবা স্ত্রী সুফিয়া। এ ঘটনায় নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি, লুটপাট এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্বামীর আপন ভাই মো. নিজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী সুফিয়া জানান, তার স্বামী নুরুন্নবী ও একমাত্র ছেলে দু’জনই মারা গেছেন। স্বামী ও ছেলের মৃত্যুর পর থেকেই দেবর মো. নিজাম উদ্দিন তার মেয়ের জামাইকে নিয়ে আমার ওপর নানা ধরনের নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। সম্প্রতি তিনি স্বামীর পৈত্রিক ভিটায় একটি ঘর নির্মাণ করতে চাইলে অভিযুক্তরা এতে বাধা দেন।

সুফিয়ার অভিযোগ, রাতের আধারে তার ঘরে ঢুকে আলমারির তালা ভেঙে নগদ টাকা ও বিদেশ থেকে আনা স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় মো. নিজাম উদ্দিন গং। এ সময় তারা একটি চিরকুট রেখে যায়, মামলা করলে তাকে হত্যা করে প্রয়োজনে জেল খাটার কথাও উল্লেখ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে এলাকার মেম্বার ও চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে একাধিকবার গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা কোনো সমাধান মানতে রাজি হয়নি। উপায় না পেয়ে তিনি সেনাবাহিনীর শরণাপন্ন হন। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার পরামর্শ দেন এবং এক সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়ে যান। এ সময় চিরকুটটি সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমাধান না হলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ওই এলাকার ১ং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন জুয়েল বলেন, সুফিয়া তার স্বামী ও সন্তান হারিয়ে সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তার কোনো আয় উপার্জনের পুরুষ সদস্য নেই। চারটি কন্যা সন্তান রয়েছে। মূলত মেয়েদের থাকার জন্যই তিনি একটি ঘর নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। আমরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিকবার শালিস করেছি, কিন্তু অভিযুক্তরা শালিস মানতে রাজি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, শেষ পর্যন্ত আমরা উভয় পক্ষকে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতের আশ্রয় নিয়ে আইনগত সমাধানের পরামর্শ দিয়েছি। আমরা আশাবাদী, আইনের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু ও সন্তোষজনক সমাধান হবে।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST