স্টাফ রিপোর্টার
ময়মনসিংহ: নেক্সাস কার্ডিয়াক হাসপাতালে স্বজনপ্রীতি ও রোগীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত অসুস্থ রোগীরা সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে সিরিয়াল ব্যবস্থা উপেক্ষা করে টেবিলের নিচে টাকা লেনদেনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট রোগীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রকৃত সিরিয়ালধারী রোগীরা পিছিয়ে পড়ছেন, অথচ অনিয়মের মাধ্যমে আসা রোগীরা দ্রুত চিকিৎসা পাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ডাক্তার জালাল সাহেবের চেম্বারের দরজার সামনে দালালদের অবাধ দৌরাত্ম্য চলছে। সিরিয়াল বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
রিপোর্ট লেখার সময় সিরিয়াল প্রদানকারী কর্মচারীর কাছে প্রশ্ন রাখা হলে কেন সিরিয়ালের বাইরে রোগী ভেতরে ডুকানো হচ্ছে—জবাবে তিনি বলেন, “উনি ডাক্তার মানুষ, উনাকে আগে না দিলে হয় কেমনে?”
একই সময়ে কিশোরগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রামের একজন রোগীও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা এমন গ্রাম থেকে আসি যেখানে রাস্তাঘাট নেই। দিনের পর দিন অপেক্ষা করলেও আমাদের সিরিয়াল আসে না। রাতে থাকব কোথায়?”
অপেক্ষমাণ রোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আসরের নামাজের সময় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল ১৩ জন ভেতরে গেছে। কিন্তু মাগরিব নামাজের পর জিজ্ঞেস করলে বলা হয় আরও ৭ জন প্রবেশ করেছে। এভাবে সংখ্যার গরমিল হওয়ায় রোগীরা হতাশা ও ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
একজন রোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার সিরিয়াল ছিল ২৪ নাম্বার। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেলেও বুঝতে পারছি না আর কতদূর যেতে হবে।”
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করছেন। সাধারণ মানুষের দাবি, অবিলম্বে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
সম্পাদক ও প্রকাশক- খায়রুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক - সোহেল রানা
সম্পাদকীয় কার্যালয়- ৫২২ আইনুল্লাহ স্কুল রোড, স্বল্পমারিয়া, বএিশ, কিশোরগঞ্জ।
০১৯১২৫৫০৭২৭,০১৭২৪৫৭৪২১৭
Copyright © 2026 কালের নতুন সংবাদ. All rights reserved.