নিজস্ব প্রতিবেদক :
৬ বছর ২ জনের বেতন তুলছেন এক শিক্ষক
৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
৬ বছর ধরে একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২ জনের বেতন-ভাতা নিয়েছেন এক শিক্ষক। নীতি নৈতিকতার তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে আত্মসাৎ করেছেন প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভাগীয় তদন্ত চলছে, কিন্তু অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে তদন্তের গতিকে ধীর করে দিচ্ছে দাবি অভিযোগকারীর।
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সামছ উদ্দিন ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা ৬ বছর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে তিনি একাধারে দুই পদের বেতন ভাতা নিয়েছেন। তাছাড়া সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া নিয়েও রয়েছে তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ।
এতোসব অনিয়মের পরেও বহাল তবিয়তে থাকা শিক্ষক মোহাম্মদ সামছ উদ্দিন এ প্রসঙ্গে বলেন, অভিযোগ সম্পর্কে আমি অবহিত নই, অফিসিয়ালি কোনরূপ তথ্য এখনো পাইনি। পেলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জবাব দেবেন বলে তিনি জানান।
একই ব্যক্তি সহকারী প্রধান শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক—দুটো পদেই থাকা সম্ভব, তবে তাকে একটি পদের বেতনই নিতে হবে, দুটো পদের নয়, কারণ দুটি পদই একই প্রতিষ্ঠানের একই সময়ে। এই ক্ষেত্রে, তাকে যে পদের বেতন ও সুবিধা প্রযোজ্য হবে (সাধারণত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদটিরই), সেটি গ্রহণ করতে হবে। তিনি যা করেছেন তা সম্পূর্ণ অবৈধ বলে উল্লেখ করেন বালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম।
করিমগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আহসানুল জাহিদ তদন্তের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, যতদ্রুত সম্ভব তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সামসুন্নাহার মাকসুদা প্রাথমিক তদন্তে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেন। তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর আইনানুগ ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান।
সম্পাদক ও প্রকাশক- খায়রুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক - সোহেল রানা
সম্পাদকীয় কার্যালয়- ৫২২ আইনুল্লাহ স্কুল রোড, স্বল্পমারিয়া, বএিশ, কিশোরগঞ্জ।
০১৯১২৫৫০৭২৭,০১৭২৪৫৭৪২১৭
Copyright © 2026 কালের নতুন সংবাদ. All rights reserved.