1. admin2@kalernatunsangbad.com : admin : Admin
  2. admin@kalernatunsangbad.com : Khairul Islam :
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় আত্মনির্ভরশীলতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ কুলিয়ারচরে হুজুরের বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগ মধুপুরে ইউএনও জুবায়ের হোসেনকে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সম্মাননা প্রদান কিশোরগঞ্জে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন পালিত ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দাবি নিকলীতে মানববন্ধন রাজারহাটে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহে কৃষক বাছাই গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি কুড়িগ্রামে ফেসবুকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে গ্রেফতার-১ মদনে ৯৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার নিহত শিশু শিক্ষার্থী রামিসার জন্য কেন্দুয়া রিপোটার্স ক্লাবে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
শিরোনাম
বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় আত্মনির্ভরশীলতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ কুলিয়ারচরে হুজুরের বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগ মধুপুরে ইউএনও জুবায়ের হোসেনকে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সম্মাননা প্রদান কিশোরগঞ্জে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন পালিত ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দাবি নিকলীতে মানববন্ধন রাজারহাটে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহে কৃষক বাছাই গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি কুড়িগ্রামে ফেসবুকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে গ্রেফতার-১ মদনে ৯৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার নিহত শিশু শিক্ষার্থী রামিসার জন্য কেন্দুয়া রিপোটার্স ক্লাবে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

করিমগঞ্জে যেন ভুয়া দলিল তৈরী চক্রের কারখান- আতঙ্কে জমির প্রকৃত মালিকেরা

  • প্রকাশ কাল রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৩৪৪ বার পড়েছে

করিমগঞ্জ প্রতিনিধি.
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ ভুয়া দলিল তৈরীর একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ভ্যান্ডারীর কাছ থেকে স্ট্যাম্প কিনে সরকারীর রেজিস্ট্রি অফিসের সীল, স্বক্ষর তৈরী করে একের পর এক তৈরী করছে ভুয়া সহিমুড়ি দলিল। এতে চরম আতঙ্কে রয়েছে এলাকার প্রকৃত জমির মালিকেরা। এ নিয়ে এলাকায় জমি ক্রেতা ও বিক্রেতারাও পড়েছে চরম বিপাকে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে কিশোরগঞ্জ, করিমগঞ্জ ও নিকলী এলাকা মিলে এক জাল দলিল তৈরির চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ভ্যান্ডরীর কাছ থেকে সরকারী স্ট্যাম্প কিনে এলাকায় একাধিক ব্যক্তির ও জমির দাগ নাম্বার বসিয়ে তৈরী করে দিচ্ছে সহিমুড়ি সৃজনকৃত ভুয়া দলিল। এ ভুয়া তৈরী করে দলিল দিয়ে জমি বিক্রি করে আসছে তারা। এতে চরম বিপাকে পড়েছে ওই সব এলাকার জমি ক্রেতা ও বিক্রেতা ও সাধারণ মানুষ। এসব সৃজনকৃত দলিল যা কিশোরগঞ্জ ও কমিগঞ্জ রেজিস্ট্রি অফিসে তথ্য নিয়ে দেখা যায়, দলিল নাম্বার মিললেও দলিলের দাতা, গ্রহীতা ও মৌজার কোন মিল নেই। চক্রটি স্ট্যাম্প কিনে অন্যের একটি দলিলের মনগড়া নাম্বার, অন্যের জমির মৌজা, দাগ ও খতিয়ান নাম্বার বসিয়ে এমন জাল দলিল তৈরি করছে আসছে। এ দলিল দেখিয়ে জবর-দখল ও অন্যের জমি এলাকার প্রভাবশালীদের মধ্যে বিক্রি করে দিচ্ছে তারা। এতে ভুমির প্রকৃত দখলিয় মালিক পড়ছে চরম বিপাকে। চক্রটি যেন এখন ভুয়া দলিল তৈরীর কারখানা খুলে বসেছে। কয়েক ঘন্টার ব্যবধানেতারা এসব দলিল তৈরি করতে সক্ষম। আর এসব দলিল দিয়ে মোটা অংকের টাকায় প্রকৃত মালিকের চোখ ফাঁকি দিয়ে জমা-খারিজ ও বেচাকেনার ঘটনাও ঘটছে। এখন এলাকার সাধারণ জমির মালিকেরা এ নিয়ে চরম আতঙ্কে দিন কাটছে। চক্রটি এতোই সক্রিয় যে তারা ভ্যান্ডারীর কাছ থেকে সরকারী স্ট্যাম্প কিনে নিজেরাই রেজিস্টি অফিসের সকল সিল, স্বাক্ষর দিয়ে খুব সহজেই তৈরী করছে সহিমুড়ি নকল দলিল। এলাকা বাসির কাজ থেকে এ চক্রের সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. জহিরুল ইসলাম অরফে জুয়েল এর নাম এখন প্রকাশ্যে। সে উপজেলার কদিমাইজ হাটি গ্রামের মৃত আবুল হাসেম ভুঞার ছেলে। তার এর কাছ থেকে সৃজনকৃত ভুয়া দলিল তৈরীর একাধিক প্রমাণ মিলেছে। সে তার নিজের ভাই বোন ও মা’র পারিবারিক রেজিস্ট্রিকৃত সোলেনামা (বন্টননামা ৭২ নং) দলিলের খারিজকৃত জমির অন্যের অংশের বিভিন্ন দাগ, খতিয়ান ও মৌজা বসিয়ে ১৯৮৫ সন দেখিয়ে স্ট্যাম্প কিনে (৩৩০৪ নং) ভুয়া সহিমুড়ি দলিল তৈরি করে। যাহাতে রেজিস্ট্রি অফিসের সকল সীল, স্বাক্ষর ও দলিল লেখকের নাম স্বাক্ষরও রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে এসব দলিল তল্লাসি করলে বালাম বহি বা ইনডেক্সে দাতা-গ্রহীতার কোন মিল পাওয়া যায়না। ঠিক এই দলিলটি হেবা দলিল দেখিয়ে ১৬ জানুয়ারী ১৯১০ সন দিয়ে তার মেয়ে সাবেকুর নাহার মিফতার নামে (৫৪২ নং) আরেকটি হেবা দলিল তৈরী করে দেয়। ৫৪২ নং দলিটিও রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাসি দিলে বালম বহি বা ইডেক্সে দাতা গ্রহীতা মৌজা বা দাগ নাম্বারের কোন মিল পাওয়া যায়নি। মুলত এই সনের করিমগঞ্জ অফিসের ৫৪২ নং দলিলটি অশীদ নামে অন্য মৌজার মালিক বলে জানান যায়। এ দলিল দিয়ে তার বোনের জমি ইতিমধ্যে এক প্রভাবশালীর কাছে বিক্রিও করে দিয়েছে। ঠিক এমন করেই করিমগঞ্জ অফিস দেখিয়ে নিজের নামে ১৯৮৪সনের ১২৮৮ নং, তার স্ত্রীর নামে ২০১৬ সনের ৫৫৩৩ নং, নিজের নামে ১৯৯২ সন দেখিয়ে ৪৮২৪ নং সহ ৭টি দলিল তৈরীর প্রমাণ পাওয়া গেছে।
উপজেলার কদিম মাইজ হাটি গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগি হাজেরা আক্তার ও চায়েনা আক্তার জানায়, ১৯১২ সনে আমরা পরিবারের সকলে মিলে করিমগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রি অফিসে বন্টননামা দলিল (৭২ নং) রেজিস্ট্রি করি। এর পর থেকে বন্টননামা দলিল অনুযায়ী সকলেই স্ব-স্ব জমি নিজেরা আমরা ভোগ দখল করে আসছি। কিছুদিন পূর্বে জহিরুল ইসলাম অরফে জুয়েল সৃজনকৃত ভুয়া ৩৩০৪ ও ৫৪২ নং দলিল তৈরী করে জোর পূর্বক দখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ দলিলগুলো রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাসি দিলে দাতা গ্রহীতার কোন মিলই পাওয়া যায়নি। সে এই ভুয়া দলিল নিয়ে আমাদের সাথে প্রতারণা করছে। সে এলাকার একটি জাল দলিল তৈরীর চক্রের সাথে জড়িত। সে আমাদের তিন বোনের অংশের জমি কিভাবে জানি এলাকার এক প্রভাবশালীর কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। এ নিয়ে আমরা চরম বিপাকে পড়েছি। তবে এ ব্যাপারে আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী করিমগঞ্জ ক্যাম্পের কাছে বিচার চেয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
কদিম-মাইজহাটির গ্রামের আনার মিয়া, মো. আজিমুদ্দিন সহ অনেকেই জানান, জহিরুল ইসলাম জুয়েল সে একটি জাল-জালিয়াতি চক্রের সাথে জড়িত হয়ে এমন ভুয়া সহিমুড়ি দলিল তৈরী করছে জানি। এখন এলাকায় তার দলিলে জমি কিনতেও মানুষ চরম ভয় পায়। কারন গত এক বছর পূর্বে একটি ভুয়া দলিলের মামলায় তার স্ত্রীসহ সে আড়াই মাস হাজত কেটেছে। এর পূর্বে করিমগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ভুয়া দলিল করতে গিয়ে দলিল লেখকরা তাকে পুলিশ দিয়ে আটক করে জেল হাজতে পাঠায়।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. নাহিদ হাসান খান বলেন, এ ধরনের জাল-জালিয়াতির কারওর বিরুদ্ধে কোন প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনাননুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদসমূহ


প্রযুক্তি সহায়তায় BTMAXHOST